কেশবপুর ॥ যশোর ভায়া কেশবপুর সাতক্ষীরা মহা সড়কের পাশে কেশবপুর পৌরসভার ময়লায় ভাগাড় করার ফলে পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মিরা প্রতিদিন ভ্যানে ও ট্রাকে করে বাজার কুড়ানো আবর্জনা, কিনিক, হাসপাতাল ও কশাই খানার দুষিত বর্জ এই ভাড়াড়ে ফেলছে যত্রতত্র। এরফলে বর্জের পচা দুরগন্ধে আশ-পাশের পরিবেশ দুষিত হয়ে উঠেছে। ভাগাড়ের চারপাশে ফসলি জমি, মাছের
ঘের, বসত বাড়ি, স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসা থাকলেও দেখার কেউ নেই। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারি চলাচল করে।
যশোর-সাতক্ষীরা ব্যাস্ততম এই মহাসড়ক দিয়ে রাত-দিন ২৪ ঘন্টা শতশত যাত্রীবাহী বাস, ঢাকাগামী পরিবহন, মালবাহী ট্রাকসহ অশংখ্য ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া স্কুল-কলেজ গামী শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্টানে যাওয়া-আসার পথে ভাগাড়ের দুরগন্ধ যুক্ত মিশ্রিত বাতাস গ্রহনে তারা ডাইরিয়া চর্মরোগসহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
কেশবপুর পৌরসভায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস। এই পৌরসভাটি প্রথম শ্রেনীর পৌর সভা হলেও এখানে বসবাসরত নাগরিকরা প্রথম শ্রেনীর নাগরিক সুবিধা থেকে ব্িঞত হলেও পৌর করের জাতাকলে পিষ্ট হচ্ছেন পৌরবাসী। কোন রকম মুল্যায়ন ছাড়াই গত ৭ বছরে পৌরকর বৃদ্ধি করা হয়েছে কয়েক গুণ। বাড়েনি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। পৌরসভায় সেবা নিতে গেলে পদে পদে পৌরবাসীকে নাজেহাল হতে হয় বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তার বেহাল দশা, ড্রেন এবং প্রায় সড়কে রোড লাইট না থাকলেও কর আদায় করা হচ্ছে যথারিতিী। এদিকে শহরের প্রায়ই স্থানে ময়লার ¯তুপে সয়লাব থাকে। তাছাড়া কেশবপুর সদরের মধ্যকুল নামকস্থানে যশোর-সাতক্ষীরা মহা সড়কের সাথে পৌর সভার ময়লার ভাগাড়ের দুষিত বর্জের গন্ধে নভিশ^াস উঠেছে পথচারিদের। ১৯৯৮ ইং সালে তৎকালিন সরকার কেশবপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নের কিছু এলাকা নিয়ে সীমানা নিদ্ধারণ করার পর, কেশবপুর পৌরসভা ঘোষনা করেন।
একাধিক পথচারি ও ভ্যান চালক আতিয়ার, রহমত, রাজ্জাক বলেন, এই সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় ময়লার ভাগাড়ার পার হওয়ার সময় ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ট দমবন্দ করে ভাগাড় পার হতে হয়। তখন আমাদের অনেক কষ্ট হয়। পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড মধ্যকুল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান বলেন, যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের পাশে পৌরসভার ময়লার ভাগাড় করার কারনে সন্ধার পর থেকে ভোর পর্যন্ত কুকুরের দাপটে, বাজার থেকে বাড়ি ফেরা এবং ফজরের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে লাঠি হাতে মসজিদে যাওয়ার সময় অনেক দিন আমাকে ধাওয়া করেছে। তখন প্রান বাঁচাতে দৌড়াতে হয়।
স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ পথচারিরা পৌর ভাগাড়টি অন্যত্র šহানান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পৌরসভার সচীব মোশারাফ হোসেন বলেন, ময়লার ভাগাড়ে ময়লা ফেললে গন্ধতো একটু হবেই। তবে বর্জ রিসাইকিলিন কারর জন্য একটি প্রজেক্ট হাতে নেয়া হয়েছে।তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
কেশবপুর পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সেসপেক্টর সুজয় কুমার বিশ^াস বলেন, ময়লার ভাগাড়ের ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। আপনি কনজার ভেনজি সুপার ভাইজার জিহাদুল ইসলাম জাহিদের সাথে কথা বলেন।















