মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি জবর দখল করে স’মিল স্থাপন করেছে জবরদখলকারীরা। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে, যশোর সদর উপজেলার ১৪ নং নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের রুপদিয় গ্রামে। জবর দখলকারীরা স’মিল স্থাপন করে সকলের চোখের সামনে রমরমা ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বহু বছর ধরে এই অনিয়ম হয়ে আসলেও দেখার যেমন কেউ নেই, তেমনি প্রতিবাদ করার মত লোকও নেই তাবৎ রুপদিয়ায়।
জানা গেছে, মোজাহার আলীর তিন নম্বর পুত্র গোলাম রসুল (৬২) পৈত্রিক সূত্রে ১৯ শতকের ৫ শতক ৫০ পয়েন্ট জমির মালিক। জমিটি রুপদিয়া বাজারে অবস্থিত। যেটি বাজারের পূর্বপাশ হিসাবে চিহ্নিত। পাকারাস্তার গা ঘেষে অতি মূল্যবান জমিটিতে একই গ্রামের হোসেন আলী খলিফার পুত্র ওহাব (৬৫) ও জাকির হোসেন স’মিল স্থাপন করেছে দীর্ঘদিন। কাগজপত্র না থাকলেও তারা জমিটি গোলাম রসুল কে ফেরত দিচ্ছেনা। ইতিপূর্বে কয়েকবার জমিটি নিয়ে মারামারি থানা পুলিশ হয়েছে।
গোলাম রসুল জানান, কোতয়ালি মডেল থানায় তার তিনটি অভিযোগ রয়েছে। বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দেওয়া হয়। ২টি জিডি রয়েছে। নরেন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোাগ দেওয়া হয়েছে। কিন্ত পুলিশ বা জবর দখলকারীরা কেউই বিষয়টি আমলে নিচ্ছেনা। দু:খ এই গোলাম রসুল নিজে মুক্তিযোদ্ধা হয়েও এখন সমাজের কুচক্রীদের কাছে হার মেনে যাচ্ছেন। জমিটির অবস্থান জেএলনং ২২২ রুপদিয়া মৌজায় সাবেক দাগ ২৬৬, হাল দাগ ৮৮৫, খতিয়ান নং ৩৩ এ।
এদিকে ভূক্তভোগী গোলাম রসুল যশোর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর গত ১৩/১০/২২ তারিখে একটি অভিযোগ করেছেন। যার স্মারক নং ৪৫২৯। এটিকে তিনি একটি পজিটিভ দিক ধরছেন। তাকে এসি ল্যান্ড আশ্বস্ত করেছেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের। গ্রামবাসীও তাই চায়। কেননা দীর্ঘদিন ধর বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রসুল তার পৈত্রিক জমাজমি থেকে বঞ্চিত। তার কান্না সকলে দেখে সহানুভুতি জানালেও জবর দখলকারীদের মন তাতে মোটেও নরম হচ্ছেনা। তারা অন্যায় করেও অনুশোচনা না করে বরং গোলাম রসুল কে প্রানে হত্যা করে জমিতে জবর দখল নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ কারনে এলাকা ছাড়া বর্তমানে গোলাম রসুল। তার জীবনের নিরাপত্ত্বা কে দেবে রুপদিয়ায়, এই শঙ্কায় তিনি অভয়নগর এলাকায় বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।















