ঢাকুরিয়ায় সাবেক স্বামীর বাড়ী জবর দখল করে নারীর বসবাস

0
200

যশোর : তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী ও তার আত্মীয়-স্বজনরা নির্মানাধীন একটি বাড়ি দখলে নিয়েছে। বিজ্ঞ আদালতে মামলা, থানা পুলিশের এ্যাকশনের পরেও জবরদখলকারীরা বাড়ি ছাড়ছে না। জবরদখলকারীদের বাঁধার মুখে জমি ও বাড়ির ত্রিসীমানায় পা রাখতে পারছেনা জমি ও বাড়ির প্রকৃত মালিক পক্ষ। থানায় দুই পক্ষের মীমাংষায়ও হাজির হয়নি জমি বাড়ি দখলকারীরা। এমনই এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামে। বড়ির জবর দখল নিশ্চিত করতে উল্টো দুই মামলা দিয়ে হয়রানি করছে অভিযুক্তরা।
জানা গেছে, ঢাকুরিয়া গ্রামের লেহাজ উদ্দিনের পুত্র আজিবুল ইসলামের সাথে ১৬/১২/২০১৬ তারিখে একই গ্রামের শফিকুল ইসলামের কন্যা সুমাইয়া খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের দেনমোহর ছিল ৭০ হাজার টাকা। এরপর সংসারে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। আজিবুল ঢাকায় এমব্রয়ডরি কাজ করেন। এ কারনে তাকে ঢাকায় থাকতে হয়। কিন্ত সুমাইয়া সেখানে থাকবেনা। বাধ্য হয়ে আজিবুল তাকে তালাক দেয়। চলতি মাসের ১৮ অক্টোবর তালাক সম্পন্ন হয়। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। হঠাৎ ২৩ অক্টোবর আজিবুলের পিতার নির্মানাধীন বাড়িটি ঢাকুরিয়ায় দখল করে সেখানে বসবাস করছেন সুমাইয়া খাতুন (২২), তার পিতা মাতা ভাইবোন। এমনকি পুত্রকেও দেখতে দেননা সুমাইয়া। উল্টো তারা লেহাজ উদ্দিনের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৫৫), পুত্র আজিবুল ইসলামকে মারধোর করে কারনে অকারনে। বাড়িটির ত্রি সীমানায় ঘেষতে দেননা প্রকৃত বাড়ি মালিককে।
এদিকে বাড়ির জবর দখল নিশ্চিত করতে সুমাইয়া খাতুন বাদি হয়ে ২টি মামলা করেছেন। আমলী আদালত মনিরামপুর, যশোর যার নম্বর-পি-১২৪৭/২২ ও বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত যশোরে সি আর ৯১৯/২২, তারিখ: ২৪/১০/২২। মামলায় আজিবুল, আলেয়া ছাড়াও লেহাজের ছোটপুত্র রবিউল ইসলাম ও ঢাকা জেলার ভাটারা থানার খিলবাড়ি ট্রাকের মৃত আনছার গাজীর পুত্র শহিদুল্যা গাজী (৬০) আসামি। পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ এর ১৩/১৪/১৫/১৬ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। অথচ প্রকৃত সত্য এই তালাকের পর সুমাইয়া আর আজিবুল ইসলামের স্ত্রী নন বর্তমানে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here