শার্শা : শুক্রবার শার্শায় মহান বিজয় দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যস্ত সময় পার
করেছেন যশোর-১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল
উদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, বাঙালি জাতির রক্তচোষারা এখনও এদেশের
মাটিতে খোলস পাল্টে অবস্থান করছে। ওরা চাইছে জ¦ালাও পোড়াও
ভাঙচুরসহ বিভিন্ন কুট কৌশল আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারো এদেশের
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে। কিন্তু বাঙালি জাতি আর ওদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়
আসতে দেবেনা। ওরা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালির
মেরুদন্ড শেষ করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু না! জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে
মহান দয়ালু আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বাঙালি জাতির মুখে
সুখের ভাত তুলে দেওয়ার জন্য। দীর্ঘদিন পরে হলেও নৌকার হালের সাথে
খুব শক্ত করে বাংলাদেশকে আঁকড়ে ধরেছেন জাতির জনকের কণ্যা শেখ
হাসিনা। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে বার বার এদেশের রাষ্ট্রীয়
ক্ষমতায় এসে বাঙালির মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। বাংলাশেকে পৌঁছে
দিয়েছেন উন্নয়নের মহাসড়কে।
দিবসের প্রথম প্রহরে সূর্যদয়ের পূর্বে উপজেলার কাশিপুরে বীরশ্রেষ্ঠ
নূর মোহাম্মদের মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বিন¤্র শ্রদ্ধা
নিবেদন ও দোয়া, পরে বেনাপোলের কাগজপুকুর শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য
অর্পণ ও দোয়া, শার্শা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ম্যুরালে পুষ্পস্তাবক অর্পণের মাধ্যমে
বিন¤্র শ্রদ্ধা নিবেদন, শার্শা পাইলট মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে পতাকা উত্তোলন, শান্তির প্রতীক
বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে বিজয় দিবস-২২’র উদ্বোধন, কুচকাওয়াজ
পরিদর্শণ, শিশু কিশোরদের বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
পরিদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ শেষে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী মঞ্চে জাতির
শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা, মধ্যহ্ন ভোজ, শীতবস্ত্র উপহার ও
বিজয় দিবসের প্রধান অতিথির আসন উপহার দেন শেখ আফিল উদ্দিন
এমপি।তিনি বলেন, ৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা
রনাঙ্গণে থেকে দেশ স্বাধীন করে ফিরেছিলেন বলেই আজ আমরা মঞ্চে
দাড়িয়ে মুক্তভাবে কথা বলতে পারছি। এজন্য এদেশের সকল শ্রেণীর মানুষ
মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে চিরঋণী।
বিজয় দিবসের দিনব্যাপী সকল আনুষ্ঠানে ছিলেন শার্শা উপজেলা
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা
সিরাজুল হক মঞ্জু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র পাল,
সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানা ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার
মোজাফফর হোসেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচালক বিএম ইউসুফ আলী,
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ
কুমার, শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান চৌধূরী, বিআরডিবি
কর্মকর্তা আবু বিল্লাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহান-ই-
গুলশান ববি, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মামুন খান,
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কামাল ভুঁইয়া,
ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুছা মাহমুদ,
শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও যশোর জেলা পরিষদের সদস্য
আলহাজ সালেহ আহমেদ মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ
ইব্রাহিম খলিল, কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদুজ্জামান, যুবলীগের সভাপতি
অহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, যুবলীগ নেতা
জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রহিম সরদার, ইকবল হোসেন রাসেল।
বিজয় দিবস-২২ উদযাপনে আরো উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর
আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এনামুল হক মুকুল, সাধারণ সম্পাদক
আলহাজ নাসির উদ্দিন, বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ
বজলুর রহমান, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান,
লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, আওয়ামী
লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামছুর রহমান, নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের
সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আযাদ, আওয়ামী লীগের সভঅপতি
আব্দুল ওহাব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, ডিহি ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মুকুল, সাবেক চেয়ারম্যান হোসেন আলী,
শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন তোতা, আওয়ামীলীগের
সভাপতি কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মোরাদ হোসেন,
উলাশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ আয়নাল হক,
বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের
সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ কবির বকুল, সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবুল
কালাম আযাদ, কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান
ফিরোজ আহমেদ টিংকু, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল
ইসলাম, গোগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তবিবুর রহমান, সাবেক
চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক
মোতাহার হোসেন, পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল
গফফার সরদার, সাবেক চেয়ারম্যান হাদিউজ্জামান, আওয়ামী লীগের
সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দিনসহ
স্থানীয় আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, আইন
শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের
কর্মকর্তা-কর্মচারি।















