খড়কির ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইরফান হত্যা সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় আত্মগোপনে হত্যাকারীরা

0
214

মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় আত্মগোপনে জড়িতরা। সোমবার ইরফান ফারাজী হত্যার বিচার দাবিতে যশোর পৌর ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উপস্থিতিতিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। যশোরে ছুরিকাঘাতে ইরফান ফারাজী (২৬) হত্যার ছয় দিনেও কাউকে আটক করা হয়নি। হত্যাকাণ্ডের সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় জড়িতরা আত্মগোপনে আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২২ ডিসেম্বর বিকেলে শহরের কারবালা ধোপাপাড়া এলাকায় দিনদুপুরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে ইরফান ফারাজীকে (২৬) হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত ইরফান পৌর শহরের কারবালা ধোপাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলাম ফারাজীর ছেলে। তিনি খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ডিপ্লোমা শেষ করেছেন। চাকরি না পেয়ে স্থানীয় ফারাজি স্টোর নামে একটি মুদি দোকানে ব্যবসা করছিলেন তিনি। হত্যার ঘটনায় ইরফানের বড় ভাই ইমরান শুক্রবার রাতে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। ইরফান হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্বজন, জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই সঙ্গে পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।
স্থানীয় কাউন্সিলর রাজিবুল আলম জানান, ‘ইরফান এলাকায় ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিচিত। জানা মতে তার সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। দুর্বৃত্তরা তাকে প্রকাশ্যে হত্যা করে। জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করেছে পুলিশ। অথচ ঘটনার পাঁচদিন চললেও এখনো পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। জড়িতদের দ্রুত আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, কেউ এখনো আটক হয়নি। সিসিটিভির ফুটেজ ফেসবুকসহ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ায় জড়িতরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। কী কারণে ইরফান হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তা জানা যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু দিতে পারছে না।
এদিকে ইরফানের পারিবারিক সূত্র জানায় ইরফানের চাকুরির জন্য রেলগেট এলাকার জনৈক কাদের কে পাঁচলাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। টাকা ফেরত চাওয়ায় সে মোবাইল ফোনে হুমকিও দিয়েছিল। মূলত: সেই কাদেরের নির্দেশেই এই হত্যাকান্ড বলে মনে হচ্ছে। কেননা কাদেরের লোকেরাই মনে হচ্ছে এই খুনে জড়িত। তবে ঐ খুনের পর থেকে সেই ফ্যাতনা কাদেরকে আর রেলগেট এলাকায় দেখা যাচ্ছেনা। আর কাদেরের লোকজনই মেয়েলি ব্যাপার স্যাপারের কথা রটাচ্ছে। নইলে এলাকায় ইরফানের ব্যাড রেকর্ডের কথা কেউ বলতে পারেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here