দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাসহ চরাঞ্চলে আলুর ব্যাপক আবাদ করেছে। চলতি মৌসুমে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারনে কৃষিজাত ফসল এবং কৃষকের উপর মারাত্নক প্রভাব পড়ার পরও ফসলের ফলন ভাল হয়েছে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিচর্যা এবং সার প্রয়োগ করার ফলে এই বছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে।
উপজেলার চরাঞ্চলসহ ৭টি ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের ২ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে আলু চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়। কয়েক দিনের তীব্র ও কনকনে শীতের প্রভাবে আলু ক্ষেতের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। উপজেলার অধিকাংশ ফসলি জমি নিচু এলাকা হওয়ায় পানি জমে থাকার কারনে দেরিতে চাষাবাদ শুরু করলেও আলুর ফলন ভাল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কৃষকরা জানায়, জমিতে পানি জমে থাকার কারনে দেরিতে হলেও আলুর চাষ করতে পারছি।
উপজেলার প্রধান ৪টি চর এলাকা চর বাঁশবাড়িয়া,চরহাদি,চরবোরহান ও চরশাহজালালে ব্যাপক হারে আলুর চাষাবাদ করা হলেও এখন পর্যন্ত কৃষকরা ফসল তুলতে পারেনি। বিভিন্ন এলাকায় এখনও তীব্র শীত থাকায় কৃষকরা মাঠে নামতে পারছে না। এদিকে কৃষকরা আলুর অধিক ফলনের জন্য সময় মত সার প্রয়োগ করেছে। আগামী দুই সপ্তাহ পরেই ক্ষেত থেকে আলু তুলতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কৃষকদের সর্বদা পরামর্শ দিচ্ছেন।















