মণিরামপুরে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হামলায় কলেজ ছাত্রী সহ আহত ২

0
174

স্টাফ রিপোর্টার:- মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের গালদা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে কাশেম আলী এর বাড়ির উঠানে ছাগল ছানা যাওয়াকে কেন্দ্র করে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা আহসানুল কবির বাদী হয়ে আবুল কাশেম হায়দার আলী সহ ছয় সাত জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বাদী হাসানুল কবীর এর একটটি ছাগল ছানা আবুল কাশেম এর উঠানে গেলে ছাগল ছানাটি লোহার ছিকল দ্বারা বেধে রাখে।,এসময় হাসানুল কবীরের মা ছাগল টি আনতে গেলে তারা গালিগালাজ করতে থাকে।, এ বিষয়ে হাসানুল কবীর বলেন ছাগল ছানাটি ছোট্ট, দূধ খাওয়ার জন্য, ডাকাডাকি করতে থাকে। তিনি আরো বলেন ভাই ছাগল ছানাটি ছেড়ে দেন না হয় খড়ে দেন।
তখন আবুল কাসেমের পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে খুন জখমের হুমকি দেয়। , একপর্যায়ে তারা ফোন করিয়া, কাশিমনগর ইউনিয়ন থেকে কিছু ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে আসে। তারা,চাইনিজ কুরাল, দা, ও দেশ-ও অস্ত্র নিয়ে আসে। 
এবং ভাড়াটিয়া ঐ সন্ত্রাসী বাহিনী,বাদী হাসানুল কবীর কে লক্ষ করে মারপিট করে,এবং তার বোন ইয়াসমিন (১৮) কে ধারালো দা দিয়ে মাথায় কোপ মারেন,তিনি খেদাপাড়া মাতৃভাষা মহা বিদ্যালয়ে ইন্টার সেকেন্ড এয়ারে পড়া সুনা করেন। মেয়ে কে কোপ মারায় তার পিতা নুরুল ইসলাম, মেয়ে কে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে দেশি-ও অস্ত্র দ্বারা তাকেও জখম করলে, মাটিতে পড়ে যাই।এসময় স্হানীয়রা টের পেয়ে এগিয়ে এসে, ইয়াসমিন ও তার পিতা নুরুল ইসলাম কে উদ্ধার করে মণিরামপুর উপজেলা হসপিটালে পাঠায়,হসপিটালের চিকিৎসকরা ইয়াসমিনের ক্ষত স্থানে ৪ টি সেলায় দেন এবং শরিলের ক্ষত স্থান গুলা রক্ত জমাট বেধে যাওয়ায়, বিভিন্ন টেস্ট দিয়ে মনিরামপুর উপজেলা হসপিটালে ভর্তি রাখেন,এবং আহত নুরুল ইসলাম কেও চিকিৎসা দিয়ে হসপিটালে ভর্তি রেখে ডাক্তারা সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখছেন, বলে প্রাথমিক ভাবে জানাযায়। 
এবিষয়ে মণিরামপুর থানায় হাজির হয়ে, হাসানুল কবীর বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের,মামলার আয়ু নিষ্ঠাবান অফিসার,সাব ইন্সপেক্টর আঃ হান্নান বলেন একজন কলেজ ছাত্রী কে গুরুত্ব আহত করেছে আসামি পক্ষ,সামান্য বাড়ির উঠনে ছাগল ছানা যাওয়া কে কেন্দ্র করে এই মারামারির সূত্র পাত ঘটে।বাদি ও আসামিরা আপন চাচাতো ভাই,সেখানে আসামিরা কাশিমনগর থেকে ভাড়াটিয়া লোক জন এনে এই মারামারি সূত্র পাত ঘটিয়েছে।
এটা একটি পরিকল্পিত ঘটনা বলে মনে করছি,মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মোঃ মনিরুজ্জামান সার মামলাটি আমলে নিয়ে রেকর্ড করেছেন। খুব শিগগিরই আসামিদের গ্রেপ্তার করা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here