মণিরামপুর শ্যামকুড় যমযমিয়া দাঃ মাদ্রাসার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই লক্ষ টাকার গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। 

0
200

ইলিয়াাস হোসেন ভ্রামমান প্রতিনিধিঃ মনিরামপুর উপজেলার ১২ নং শ্যামকুড় ইউনিয়নের শ্যামকুড় যমযমিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্হানীয় সূত্রে জানাযায়, ১৯৮৬ সালে মাদ্রাসাটি স্থাপিত হয় এই প্রতিষ্ঠানটি,কিন্তু দীর্ঘ ৩৭ বছর পার হলেও হয়নি কোনো উন্নয়ন মূলক কাজ,একাধিক নিয়োগ হলেও, উন্নয়নের ছোয়া মেলেনি এই মাদ্রাসাটিতে।পুরনো ক্লাস রুম গুলা ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় পাটদান করানো হচ্ছে ছাত্র ছাত্রীদের,দীর্ঘ ৩৭ বছরে হয়নি একটা বাথরুম, পর্যন্ত, মাদ্রাসার ছাত্র, ছাত্রীদের যেতে হয় মাদ্রাসার আশে- পাশের থাকা বিভিন্ন বসত বাড়িতে।এখানেই শেষ নয় এই মাদ্রাসায় গত মাস তিনেক আগে লক্ষ টাকার চারটি গাছ সরকারি উনুমদন ছাড়াই, মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলাম নিজ ক্ষমতা বলে গাছের টাকা আত্মসাৎ করেন, বলে নিশ্চিত করেছেন এলাকা বাসি।এবিষয়ে গত কিছু দিন আগে মাদ্রাসার পাশে থাকা প্রতিবেশীরা মাদ্রাসার কতৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে,তারা গাছ মেরে মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে ব্যাবহার করা হবে বলে জানায়, কিন্তু গাছ মারার তিন মাস পার হলেও মাদ্রাসায় একটি টাকার উন্নয়ন না হওয়াই,জনসাধারণের মাঝে নানা ধরনের গুঞ্জন আলাপ আলোচনা হতে থাকে,অতঃপর এলাকা বাসি গণমাধ্যম কর্মীদের বিষয়টি জানায়,অভিযোগের সত্যতা মেলে ঘটনা স্থানে যেয়ে।গণমাধ্যম কর্মীদের অনুসন্ধান চলা কালিন মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু পরিচয় দিয়ে দৈনিক অপরাধ তথ্য চিত্র, সংবাদপত্রের সম্পাদক, মোঃ ফজলুল হক কে খুলনা থেকে আমন্ত্রণ জানিয়ে,মাদ্রসা চলা কালিন সময়ে সুপার অফিস কক্ষে নিয়ে একটি গোপনীয় মিটিং করেন সকল শিক্ষকদের নিয়ে।গোপন মিটিং এর খবর পেয়ে এলাকাবাসী সহ ছাত্রী ছাত্রী, অফিস কক্ষে হাজির হলে, মিটিং টি সমাপ্তি করে,দ্রুত ঘটনা স্থান ত্যাগ করেন, দৈনিক অপরাধ তথ্য চিত্র সম্পাদক, মো ফজলুল হক,ও মাদ্রাসার সুপার মাদ্রাসা থেকে তড়িঘড়ি করে বের হয়ে যাই।মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীরা জানায় গাছ বিক্রির টাকায় হয়নি মাদ্রাসার কোনো উন্নয়ন, ঠিক মতো আসেন না মাদ্রাসার শিক্ষক, আমরা কয়েক জন ছাত্র-ছাত্রী থাকলেও নেওয়া হয়না নিয়মিত ক্লাস,কেশবপুর স্যানেটারী ব্যাবসায় ব্যাস্ত থাকায় মাদ্রাসার সুপার নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না।তিনি যে কোনো সময়ে এসে সকল হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান।মাদ্রাসায় ৪ র্থ শ্রেণীর কর্মচারী ৪ জন ও শিক্ষক ১৬ জন থাকলেও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩ জন।গত বছর পাশের সংখ্যা ১ জন।বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখতে মণিরামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী, ও ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here