এহসানুল হোসেন তাইফুর, বিশেষ প্রতিনিধি: অমিত্রার ছন্দের প্রবর্তক যুগস্রষ্টা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের মহানায়ক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলে কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা শুরু হয়েছে। বুধবার বিকেলে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে এ মধুমেলার উদ্বোধন করেন। পরে মন্ত্রী মেলার মাঠ পরিদর্শন করে মধুমঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। যশোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হুসাইন শওকতের সভাপতিত্বে মধুমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দীন, যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার, যশোর জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম ও কেশবপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মফিজুর রহমান, প্রেসকাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত।
অনুষ্ঠানে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটির প থেকে প্রধান অতিথির নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মেলার প্রথম দিনেই মধুপল্লী, কবির স্মৃতি বিজড়িত কপোতা নদ পার, বিদায় ঘাট, বুড়ো কাঠবাদাম গাছ তলাসহ মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ল্য করা গেছে। বিশেষ করে কৃষি মেলা দর্শনার্থীদের কাছে মধুমেলায় আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। মেলার মাঠে ড্রাগন ট্রেন ঘিরে ও নাগরদোলায় শিশুরা আনন্দে মেতে থাকে। গ্রামীণ পসরাগুলোতে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মালামাল কিনতে দেখা যায়।
মধুমঞ্চে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রাতে মনোজ্ঞপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী এ মধুমেলা অনুষ্ঠিত হবে।















