মধুমেলার স্টলে বেড়েছে বিক্রি, দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে বালিশ মিষ্টি একটির দাম ১৫০০ টাকা

0
528

এহসানুল হোসেন তাইফুর, বিশেষ প্রতিনিধি: মধুমেলায় শেষ মূহুর্তে বেচা কেনা বৃদ্ধি পেয়েছে। মেলার মাঠে বসানো মিষ্টির দোকান গুলোতে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মধুভক্ত দর্শনার্থীরা। বড় একটি বালিশ মিষ্টির দাম হাকা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। এ মিষ্টির ওজন প্রায় দেড় কেজি। বালিশ মিষ্টির পাশাপাশি মধুভক্ত নারী দর্শনার্থীরা মিষ্টির দোকান থেকে দানাদার (রসমন্ডি) কিনতে ভিড় জমান। আবার অনেকেরই বালিশ মিষ্টির দাম শুনে না কিনে ফিরে যেতেও দেখা গেছে।
পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলারোয়া থেকে পরিতোষ নন্দী মধুমেলার মাঠে বাহারি এ মিষ্টির দোকান বসিয়েছেন। দোকানে বড় বড় বালিশ ও ন্যান্সা মিষ্টি রাখায় মেলায় আসা মধুভক্ত দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। এ কারণে মিষ্টির দোকান ঘিরে রয়েছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ ছবি তুলছেন কেউবা দাম জানতে চাইছেন। আবার অনেকেই প্রিয়জনদের নিয়ে বালিশ মিষ্টি খেতেও দেখা গেছে।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৫ জানুয়ারি থেকে সাগরদাঁড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী এ মধুমেলা। এ মিষ্টির দোকানে ৬০০ টাকা দরের মাঝারি ও ২০০ টাকা দরের ছোট বালিশ মিষ্টিও রয়েছে। অনেক ক্রেতা এ দোকান থেকে রসমন্ডির পাশাপাশি পাতলা গজাও কিনেছেন। বিশেষ করে শিশুরা মেলায় দানাদার (রসমন্ডি) পেয়ে খুবই খুঁশি হয়। এক সময় কেশবপুরসহ দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চালে এ দানাদার মিষ্টির খুবই কদর ছিল। এখন মিষ্টির দোকান গুলোতে দানাদার পাওয়া যায় না। কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিম তাবাচ্ছুম তামিহা জানায় মধুমেলার মাঠ থেকে দানাদার খেয়ে খুবই মজা পেয়েছে। একই রকম কথা জানায় কেশবপুর সরকারি পাইলচ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রত্যাশা।
মেলার পঞ্চম দিন রবিবার বিকেলে পরিতোষ নন্দীর মিষ্টির দোকানের কর্মচারী সাইদুর রহমান বলেন, মেলার শেষ মূহুর্তে বেচা-কেনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই মিষ্টির দোকানের পাশাইে বাগেরহাট থেকে আসা বাহারি পান বিক্রেতা আকবার আলী শেষ বলেন, প্রথম তিন দিন বিক্রি তেমন ছিল না। এখন বাহারি পান বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফুসকা, চুড়ি, কম্বল, জুতা, কোটসহ অন্যান্য স্টল গুলোতেই লক্ষ করা গেছে কেনাকাটায় দর্শনার্থীদের ভিড়।
উল্লেখ্য, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাগরদাঁড়িতে অনুষ্ঠিত সপ্তাহব্যাপী এ মধুমেলা আগামী ৩১ জানুয়ারি শেষ হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here