অভয়নগরে ডক্টরস ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়ে মায়ের গভের্র ভ্রণের মৃত্যু

0
426

স্টাফ রিপোটার: যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া ডক্টরস ক্লিনিকে (ডক্টররস সেভ নরমাল ডেলিভারী সেন্টার ) চিকিৎসা নিয়ে মায়ের গর্ভে আড়াই মাস বয়সি একটি ভ্রণের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নওয়াপাড়া বুইকরা এলাকার বাসিন্দা গর্ভবতী ওই নারীর স্বামী মোঃ সাজু ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, গতকাল দুপুরে তার আড়াই মাসের গর্ভবতী স্ত্রী কাজলী বেগম (৩২) কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানকার ডাঃ মোঃ আব্দুর গফফার তার স্ত্রী কে দেখে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইউরিন টেস্ট দেন পরে টেস্ট রিপোর্ট দেখে ডাঃ একটি ইনজেকশন ও কিছু ঔষধ লেখে। আমি ডাক্তারের লেখা ইনজেকশন ওষুধ গুলো নিয়ে আসলে হাসপাতালের এক সেবিকা আমার স্ত্রীকে ইনজেকশন পুশ করে আমাদের ছেড়ে দেয়। আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি আসার কয়েক ঘন্টা পর আমার স্ত্রীর পেটে ব্যথা শুরু হয় এবং আমার স্ত্রীর গর্ভে থাকা আড়াই মাসের ভ্রণটি নষ্ট হয়ে পড়ে যায়। এসময় আমার স্ত্রীর প্রচুর রক্ত পাত সুরু হয়।পরে তাকে পুনরায় ডক্টরস ক্লিনিকে নিয়ে আসলে ডাঃ আব্দুর গফ্ফার আমার স্ত্রীর কোন চিকিৎসা না দিয়ে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। বর্তমানে আমার স্ত্রী অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে।
উল্লেখ , এর আগেও ক্লিনিকটিতে ডাঃ আব্দুল গফ্ফারের ভুল চিকিৎসায় সনিয়া খাতুন (৩০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর রোগীর স্বজন ও বিক্ষুপ্ত জনতা ক্লিনিকটা ভাংচুর করে। পরে ডাঃ আব্দুল গফ্ফার লক্ষীপুরের সিভিল সার্জন হিসাবো যোগদান করার পর সেখানেও নিউ আধুনিক হাসপাতাল নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই অপারেশন করায় প্রসূতি শিমু আক্তারের মৃত্যু হলে সেখানেও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে জানতে ক্লিনিকে গিয়ে
ডাঃ আব্দুল গফফারকে পাওয়া যাইনি।পরে তার মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য না করে বলেন, আমি একটি মিটিংএ আছি মিটিং শেষে আপনাকে ফোন দিচ্ছি। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সাদিয়া জাহান বলেন, কাজলী নামের এক নারীর এ্যাবোশন হবার পর হাসপাতালে আসলে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে।এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: ওহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here