নাসির উদ্দিন নয়ন কুয়াদা(যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য সোনিয়া বেগম এবং তার স্বামী ইকবাল হোসেনের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছেন। সূত্র মতে জানা যায়. সৌয়েদ আলী গাজীর ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম, সাং ঢাকুরিয়া, বাদী হয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত মনিরামপুর যশোর এ মামলা দায়ের করেছেন যার মামলা নং১৯৯/২৩। আসামীরা হলেন ১। মোঃ ইকবাল হোসেন (৪৩) পিতা মৃত শামসুর রহমান ছোট্ট, ২। মোছাঃ সোনিয়া (৪০),জং- মোঃ ইকবাল হোসেন,৩। মোঃ সজিব (২০), পিতা মোঃ ইকবাল হোসেন, ৪। মোঃ তরিকুল, পিতা এরশাদ আলী সর্ব সাং ঢাকুরিয়া থানা- মনিরামপুর জেলা যশোর। বাদীর নালিশের বিবরণে জানা যায় বাদী একজন সহজ সরল আইনমান্যকারী। আসামী ইকবাল হোসেন একজন মালয়েশিয়া ফেরত মানব পাচারকারী ও আদম ব্যবসায়ী। বাদীর ছেলে সাগরকে মালয়েশিয়া পাঠাবে ও সেখানে ভাল চাকুরী পাইয়ে দেবে বলে বাদীকে প্রলোভন দেখিয়ে।
বাদী সরল বিশ্বাসে গত ০৪/০৩/২০২২ ইংরেজি তারিখে বিকাল অনুমান ৪.০০ ঘটিকার সময় বাদী সাক্ষীদের উপস্থিতিতে নিজ বসত বাড়ীতে ২ ও ৩ নং আসামীর উপস্থিতিতে বাদীর ছেলে সাগরকে তিন মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া পাঠাইবার শর্তে ১নং আসামীর কাছে নগদ ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) টাকা প্রদান করেন। ১,২ ও ৩ নং আসামী সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাদীকে কথা দেয় যে, তারা আগামী তিন মাসের মধ্যে সকল কাগজপত্র প্রস্তুত করে বাদীর ছেলে সাগরকে মালয়েশিয়া পাঠাইয়া দিবে ও সেখানে ভাল চাকুরী ও পাইয়া দিবে। কিন্তু পরবর্তী দশ মাস অতিবাহিত হলেও ১,২ ও ৩ নং আসামীরা বাদীর ছেলে সাগরকে মালয়েশিয়া পাঠাবার জন্য কোন উদ্যোগই গ্রহণ করে না। একপর্যায়ে বাদী উক্ত ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করে তাকে ঘুরাতে থাকে। বাদী এ ঘটনা নিয়ে একাধিকবার শালিস বিচারের আয়োজন করে এবং আসামীগণ উক্ত সালিশ বিচারে বাদীকে ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) টাকা অতি দ্রুত ফেরত দিবে বলে কথা দিলেও ১,২ ও ৩ নং আসামীগণ বাদীকে টাকা ফেরত দেয় না বরং বাদীর ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) টাকা প্রতারনা করে ও বিশ্বাস ভঙ্গ করে আত্মসাৎ করেছেন। আর্জিতে বর্ণিত সর্বশেষ ঘটনার তারিখ ও সময় ২৩/০২/২০২৩ ইংরেজি তারিখ সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় বাদী ১,২ ও ৩ নং আসামিদের ঢাকুরিয়া বাজারে পেয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আসামীদের নিকট তার ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) টাকা প্রতারনা ও বিশ্বাস ভঙ্গ করার কারন জানতে চাইলে ও উক্ত ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) টাকা ফেরত চাইলে ১,২ ও ৩ নং আসামী সেখানে উপস্থিত তাদের সহযোগী ৪নং আসামী একযোগে বাদীকে বলে তারা বাদীকে একটি টাকাও ফেরত দিবে না এবং এ ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি বা থানা পুলিশ করলে তারা বাদীকে মেরে হাড় ভেঙ্গে ফেলবে ও প্রয়োজনে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি ধামকি দেন। এ কথা বলে আসামীগণ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। বাদী এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে শালিস বিচারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায়। বাদী অদ্য বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষীগণ সকল ঘটনা জানে ও বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দিবেন।















