পাইকগাছায় ঘেরের বাসা ভেঙ্গে উধাও করার অভিযোগ!

0
260

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় রাতের আধারে চিংড়ি ঘেরের বাসাবাড়ী ভেঙ্গে উধাও করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার গভীর রাতে লতা ইউপি’র পুটিমারীতে এ ঘটনা ঘটেছে। রহস্য উদ্ধারে জমির মালিকরা ও লীজ মালিক সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানাগেছে, উপজেলার পুটিমারী মৌজায় বিআরএস জরিপের ৩৫৪,১৬৯ ও ৪৫৫ খতিয়ানের ৩৮২ দাগের ৫ একর ৬৮ শতকসহ আরোও জমি নিয়ে শামুকপোতার মৃতঃ ললিত মোহন মন্ডলের ছেলে নিশিকান্ত মন্ডল ও অন্যান্য পরিবারসহ লতার সাবেক ইউপি সদস্য আলমগীর খলিফার পরিবারের মধ্যে বিরোধের চলে আসছিল। আলমগীর খলিফাসহ অন্যরা পাওয়ারনামা বনিয়াদে এ সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে ওয়ারেশ সুত্রে নিশিকান্ত মন্ডল, মমতা বালা ও অন্যান্য পরিবার বর্তমান জরিপে রেকর্ড ও খাজনা দিয়ে জমি ভোগদখল করছেন। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
জমির মালিক নিশিকান্ত মন্ডল অভিযোগ করেন গত বছর ভরা মৌসুমে আলমগীর খলিফা পেশিশক্তি বলে আমার মারপিট করে ঘের দখল করে ক্ষয়ক্ষতি করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়। এ মৌসুমের শুরুতে আলমগীর খলিফা আবারোও ঘেরের জমি দখল চেষ্টা করলে জমির মালিক পক্ষ থানায় অভিযোগ করেন। এ পরিস্থিতিতে পুলিশ দু’পক্ষকে ডেকে পাঠায়। বসাবসিতে আদালতের নির্দেশনা মানতে ওসি মোঃ জিয়াউর রহমান দু’পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন। কথানুযায়ী এ দাগ খতিয়ান ভুক্ত জমির মালিক ও ঘের মালিকরা তাদের নিজ-নিজ ঘেরে পানি তোলার চেষ্টা করলে আলমগীর খলিফার স্ত্রী সহ পরিবারের লোকজন বাঁধা দেয়। এ নিয়ে দু’পক্ষই মারমুখি হয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। জমির মালিক নিশিকান্ত ও ডিড মালিক বাহিরবুনিয়ার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান,১৮ বিঘার ঘেরে থাকার জন্য বড় অংকের অর্থ খরচ করে ৫/৬ দিন ধরে বাঁসা তৈরী করি। ভুক্তভোগীরা আলমগীর খলিফার দিকে ইঙ্গিত করে জানান,শনিবার গভীররাতে দুর্বৃত্তরা নতূন বাসা ভাংচুর করে সবকিছু উধাও করে দিয়েছেন। এমন অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউপি সদস্য আলমগীর খলিফা জানান, বাসা তৈরী বা ভাংচুর হয়েছে কিনা এ সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। লতার দায়িত্বে থাকা বিট পুলিশ অফিসার এসআই তাকবীর হোসাইন জানান,জমির মালিক ও ডিড মালিক পক্ষ নতূন বাসা ভাংচুর করে তা উধাও করার অভিযোগ করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জ্ঞাত করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here