পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় চিংড়ি ঘেরের জমি নিয়ে জমির মালিকরা ও ঘের মালিক মুখোমুখি অবস্থানে। জমির মালিকদের অভিযোগ ইজারা চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে চলতি মৌসুমে নিজেদের জমি পৃথক করে বেঁধে নিতে চাইলে ঘের মালিক মোস্তফা জামান মন্টু বাঁধা সৃষ্টি করে থানায় জিডি করেছেন। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গড়ইখালী ইউপি’র বাসাখালীতে। পুলিশ জানিয়েছে, এ নিয়ে বসাবসি হলে দু’পক্ষই কাগজপত্র দৃষ্টান্তে শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা বলেছিল।
গতকাল সরেজমিনে গেলে বাসাখালীর আঃমোমিন সরদার জানান,একই বাড়ির মোবারেক সরদার, জুলফিক্কার সরদারসহ কয়েকটি পরিবারের ১৪৩ খতিয়ানে সাড়ে ৭ বিঘা ও ২৭৭ খতিয়ানে-৩২ বিঘা জমি রয়েছে। এ জমির ডিড নিয়ে স্থানীয় শামসুল হুদার ছেলে ঘের মালিক মোস্তফা জামান মন্টু দীর্ঘদিন ধরে ঘের করে আসছেন। জমির মালিকদের মধ্যে শফিকুল ও মোজাফফর ও আতাউর সরদার জানান, বাংলা ১৪২৯ সনের ৩০ পৌষ মাস পর্যন্ত আমাদের ডিডের মেয়াদ শেষ হলে মন্টু’র চিংড়ি ঘের থেকে নিজেরের জমিতে বাঁধ দিয়ে পৃথক করে নিতে চাইলে সে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ মাথা চাঁড়া দিলে ঘের মালিক মোস্তফা জামান মন্টু বাদী হয়ে জমির মালিক মোমিন সরদারসহ অনেকের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করলে পুলিশ সমাধানের জন্য দু’পক্ষকেরবসাবসি করেন।কিন্তু চুড়ান্ত সমাধান হয়নি।
এদিকে আমিনদ্বারা জরিপ সম্পন্ন করে শুক্রবার সকালে জমির মালিকরা তাদের জমিতে বাঁধ শুরু করলে দু’পক্ষই মুখোমুখি হলে বাইনবাড়ীয়া ক্যাম্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ঘের মালিক মোস্তফা জামান মন্টু জানান, আমি ইজারাচুক্তি ও মৌখিকভাব ৬৫ বিঘা জমিতে দীর্ঘদিন ধরে ঘের করে আসছি। তিনি অভিযোগ করেন সমাধানের পর্বেই মেমিন-মোবারক সরদার গংরা জোর করে ঘেরের মধ্যে বাঁধবন্ধি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছেন। এ বিষয়ে বাইনবাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এসআই বাবুল হোসেন জানান, ঘের মালিকের অভিযোগ পেয়ে বাঁধের কাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আব্দুস ছালাম কেরু বলেন, যে সব জমি মালিকের ডিডের মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদের জমি ঘের মালিকের ছেড়ে দেয়া উচিত, তবে সেটা শান্তিপূর্ণ ভাবে।















