মহেশপুর(ঝিনাইদহ)অফিসঃ ঝিনাইদহের মহেশপু উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি সিন্ডিকেট অবাধে কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করছেন বিভিন্ন ইটভাটায়। মাটিবাহী ট্রাক্টরের অবাধ চলাচলে গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। ট্রাক্টরের মাটি পাকা সড়কে পড়ে পিচ্ছিল হয়ে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। আবাদি জমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল) কেটে নেয়ায় কমছে ঊর্বরতা। এতে ফসলের উৎপাদন কমার পাশাপাশি কমছে চাষাবাদ,ঘটছে পরিবেশের বিপর্যয়। মহেশপুর উপজেলাব্যাপী একাধিক সিন্ডিকেট মাটির ব্যবসায় সক্রিয়। এর সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হাত করে অবাধে কেটে চলেছে কৃষি জমির উপরিভাগের ঊর্বর মাটি। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে চাষাবাদ। এমন অবস্থা চলতে থাকলে এক সময় মাটিও আমদানি নির্ভর হবে আমাদের। বাঘাডাঙ্গা গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানান, টাকার লোভে অনেক জমির মালিক মাটি বিক্রিতে ঝুঁকছেন। ১০-১২ ফুট গর্ত করে মাটি বিক্রি হচ্ছে। ফলে পাশের জমির মাটিও ভেঙে পড়ছে। বাধ্য হয়ে ওইসব জমির মাটিও বিক্রি করছেন মালিকরা। স্কাভেটর মেশিন দিয়ে রাতের আধারে এসব মাটি কাটা হচ্ছে। কিছু বললে হুমকি দিচ্ছেন তারা। সরেজমিনে গত ১৩ মার্চ উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে,ওই গ্রামের মতৃ কাদের উদ্দিন হালসান ছেলে নাসির উদ্দিন হালসান,জসিম উদ্দিন হালসান,ফরহাদ উদ্দিন হালসান,মৃত রবিউল মন্ডলের ছেলে মহি উদ্দিন, রজব আলীর ছেলে আনারুল, মুনসুর হালসানের ছেলে হাবিবুর রহমান, মৃত আজিজুর হকের ছেলে আব্দুল সাত্তার তিনমাস ধরে স্কাভেটর ভাড়া করে এনে এলাকার কৃষকদের প্রলোভন দেখিয়ে কৃষি জমির উপরিভাগের টপ সয়েল কেটে নিয়ে উপজেলার সোহাগ ভাটা,করিম ভাটা,মাসুম ভাটা, সুলতান ভাটায় বিক্রি করছেন। ওই মাটি তারা ট্রাক্টর ও লাটাযোগে নিয়ে যাচ্ছেন ওই সকল ইটভাটায়। এতে গ্রামের ইটের সোলিং রাস্তা দেবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জমির ফসল। এ ব্যাপারে নেপা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, এর আগে ওই স্থানে মাটি কাটা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পূনরায় মাটি কাটছে কিনা জানা নেই যদি কাটে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মাসুদ পারভেজ রানার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে খোজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।















