আনিছুর রহমান:- মণিরামপুরে নাহার এগ্রো ফিডের এলসি সোয়াবিন মিল্ক (ভূষি) বাহি তিনটি ট্রাকে ২৮ বস্তা ধানের চিটার ভূষি মাল আশায় ট্রাক ড্রাইভারদের আটক করেছে পুলিশ। অজ্ঞাত কারনে ওই রাতেই বিষয় ধামাচাপা পড়ে গেছে। তবে ঘটনার জন্য দায়ী কে বা কারা এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা বয়ে চলেছে।
নাহার এগ্রো ফিডের এলসি সোয়াবিন মিল্ক (ভূষি) বাহি তিনটি ট্রাকে ধানের চিটার ভূষি মাল এসেছে এমন সংবাদ পেয়ে গত ১৩ মার্চ সন্ধার পর নাহার এগ্রো ফিডের ভীতরে যেয়ে দেখা গেছে রাজশাহী ট্ট- ১১-০০০৮, ঢাকা মেট্রো ট ২২-২৫০৬ ও বগুড়া ট ১১-১০৬৯ নম্বরের তিনটি ট্রাক খালি (আনলোর্ড) অবস্থায় রয়েছে। তখন বিষয়টি কোম্পানী ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাকের নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন, কোম্পানী ভারতের সোয়াবিন মিল্ক (ভূষি) এলসি করে সোনা মসজিদ বর্ডার থেকে ওই তিনটি ট্রাকে লোর্ড করেন। ১৩ মার্চ সন্ধার দিকে এলসি বুঝায় ট্রাঈ তিনটি কোম্পানীতে ঢোকে। এর পর মাল আনলোড করার সময় কিছু বস্তা গরম পাওয়ায় লিভার শ্রমিকদের সন্দেহ হয়। তখন ওই গরম বস্তা গুলোর মাল ঢেলে ও চেক করে দেখে ২৮ বস্তায় ধানের চিটার গুড়ো ভুষি। যার মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। তখনি আমি এমডি সারের নির্দেশে ট্রাক তিনটি আটকিয়ে রাখি ও ট্রাক ড্রাইভার ফারুখ, আব্দুল্ল্যাহ ও হযরতকে পুলিশে কাছে হস্তান্তর করি। তিনি আরো বলেন, ড্রাইভারদের কাছে চিটার ভুষির বিষয় জানতে চাইলে তারা জানাই, ট্রাক লোড দিয়ে এসে আমরা ট্রাক মালিকদের আয়াত্বে রেখে বিশ্রামে গিয়েছিলাম। মালিকরা এ কাজটি করলে করতে পারে। ম্যানেজার আরো বলেন, বিষয় এখন এমডি স্যার ডিল করছে। খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে আটক থাকা ট্রাক ড্রাইভারদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, কোথা থেকে এটা হয়েছে তা আমরা জানি না। তবে আমরা এটা করেনি। এ বিষয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই সনজিদ কুমার বলেন, মৌখিক অভিযোগে ড্রাইডমভারদের আনা হয়েছে। কোম্পানী মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। না হলে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে। বিষয়ে কোম্পানী ম্যানেজার বলেন, ট্রাক মালিক ও ড্রাইভাররা কোম্পানীর মালের ডেমারেজ বুঝে দেওয়ায় কোন মামলা করা হয়নি।















