২০ এপ্রিল,: যশোরে পুলিশ ফাঁড়িতে অনুষ্ঠিত সালিশে এক ব্যক্তিকে বেদম মারধর করেছে প্রতিপক্ষ। বুধবার (১৯ এপ্রিল) রাতে যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত আব্দুস কুদ্দুস যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইকরামুল ইসলাম জানান, আব্দুল কুদ্দুস সম্প্রতি এক বিধবা নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর এক ছেলে থানায় অভিযোগ করেন, তার মা দ্বিতীয় বিয়ের পর তাদের দুই ভাইকে বাড়িতে থাকতে দিচ্ছেন না। কিন্তু ওই বাড়ি পৈতৃক সূত্রে তাদের প্রাপ্য। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য দুই পক্ষকে বুধবার সন্ধ্যার পর ফাঁড়িতে আসতে বলা হয়।
তিনি জানান, সালিশে আব্দুল কুদ্দুসের প্রথম স্ত্রীর পক্ষের লোকজন আসলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় নিজেদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হলে দুই পক্ষকে শান্ত করা হয়। পরে জেনেছি কুদ্দুসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনা তেমন গুরুতর নয়।
আহত আব্দুল কুদ্দুস জানান, সালিশ চলাকালে চেয়ারম্যান তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ সময় তার সহযোগী আশিকুর, শাজাহান, রসুল, নয়ন ও টুটুল তাকে টেনে ফাঁড়ির দারোগার ঘর থেকে বাইরে বের করে নিয়ে মারপিট করে। তার মাথা কয়েকবার দেয়ালে ঠুকে দেওয়া হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির তুহিন বলেন, কুদ্দুস তার প্রথম পক্ষের স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। অথচ তিনি প্রথম স্ত্রীর বাবার বাড়িতেই ঘর জামাই হিসেবে থাকেন। এ অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্থানীয় অধিকাংশ লোকই তার ওপর ক্ষিপ্ত। আবার একই গ্রামে যেখানে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে সেখানে ওই নারীর দুই ছেলেকে তাড়িয়ে দিয়ে তাদের জামিও কুদ্দুস তার কবজায় নিতে চান। এ কারণে সে জনরোষের শিকার হয়েছেন।















