মহেশপুর(ঝিনাইদহ)অফিস : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে পাকা ধান থাকলেও অতিরিক্ত মজুরিতেও মিলছে না শ্রমিক। এতে কৃষকরা পড়েছেন মহা বিপাকে।
তারা জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে বোরোর আবাদ ভালো হয়েছে। কিন্তু, ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে, সংকটে পড়েছেন তারা। এদিকে বৃষ্টিও শুরু হয়ে গেছে, তাই বৃষ্টি ও ঝড়ে পাকা ধান জমিতে নষ্ট হচ্ছে।
জেলেপোতা গ্রামের কৃষক টুনু মিয়া বলেন, আমি এ বছর ৬০ বিঘা বোরো ধানের চাষ করেছি। অনেকগুলো খেতের ধান পেকে গেছে। কিন্তু শ্রমিক না পাওয়ায় ধান কাটতে পারছি না। গ্রামের শ্রমিকদের কাছে গেলে বলে আমাদের দলে লোক কম। আবার বাইরে থেকেও এ বছর কোনো শ্রমিক আসেনি। এখন কীভাবে ধান কাটব বুঝতে পারছি না। এদিকে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষেতের ধান মাটিতে নুইয়ে পড়েছে।
ডাকাতিয়া গ্রামের কৃষক শান্তি মিয়া বলেন, তার ৭০ বিঘা জমির মধ্যে কিছু ধান কাটা হয়েছে বাকি ধান সব মাঠে রয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়ে ধান পড়ে যাওয়ার কারণে শ্রমিকও বেশী লাগছে। তিনি ধান কাটা নিয়ে মহা বিপাকে পড়েছেন।
উপজেলার কুল্লহপাড়া গ্রামের কৃষক আলহাজ্ব ইউনুস বলেন, ‘আমি ৩০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। ঈদুল ফিতরের আগে থেকে ধান কাটতে চাচ্ছি। কিন্তু, শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। আমার পাকা ধান জমিতে ঝরে পড়ছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২১ হাজার ৭শ ৬০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। উপজেলার বারটি ইউনিয়নে প্রায় ৫০% বোরো ধান কাটা হয়েছে। তবে শ্রমিকের মজুরি বেশি থাকায় কৃষকরা চিন্তিত।















