মেহেরেপুর প্রতিনিধি : মেহেরপুরের গাংনীর ব্রজপুরে পিতার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নববধূ রুবিনা খাতুন (১৮)। সদ্য বিয়ে হয়ে যাওয়া প্রেমিকার আত্মহত্যার খবর পেয়ে প্রেমিক রিংকু (২৫) বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সোমবার ( ৩ জুলাই) সকালে এঘটনা ঘটে। নববধূ রুবিনা খাতুন ঐ গ্রামের ঈদগাঁহ পাড়ার রবিউল ইসলামের মেয়ে ও রিংকু দেবীপুর গ্রামের ফইমদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুবিনা খাতুন লেখাপড়ার জন্য নানা বাড়ি দেবীপুরে বসবাস করতো। সেই সুবাদে দেবীপুর গ্রামের ফইমদ্দিনের ছেলে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী রিংকুর সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। গত ২৮ জুন ঈদ-উল-আযহার আগের দিন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার নাটনাপাড়া গ্রামের সৈকত আলীর ছেলে সবুজের সাথে পারিবারিকভাবেই রুবিনার বিয়ে দেওয়া হয়। ঈদের পরের দিন থেকে রুবিনা তার স্বামীর সাথে বাবার বাড়িতে বিয়ে পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার জন্য অবস্থান করছিলেন। সোমবার (৩ জুলাই) সকালে নিজ শয়ন কক্ষের বাশেঁর আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
স্থানীয়ভাবে আরও জানায়, রুবিনার মৃত্যুর খবর শুনে রিংকু বিষপান করে রুবিনার বাড়িতে হাজির হয়। বিষপান করার বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিকে এবং পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। রুবিনাকে পরিবারের লোকজন জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পর তার স্বামীকে মেনে নিতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে ফিরে গাংনী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সইবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মামলা নং-২৮, তারিখ: ০৩/০৭/২৩ ইং। মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুবিনা খাতুন লেখাপড়ার জন্য নানা বাড়ি দেবীপুরে বসবাস করতো। সেই সুবাদে দেবীপুর গ্রামের ফইমদ্দিনের ছেলে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী রিংকুর সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। গত ২৮ জুন ঈদ-উল-আযহার আগের দিন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার নাটনাপাড়া গ্রামের সৈকত আলীর ছেলে সবুজের সাথে পারিবারিকভাবেই রুবিনার বিয়ে দেওয়া হয়। ঈদের পরের দিন থেকে রুবিনা তার স্বামীর সাথে বাবার বাড়িতে বিয়ে পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার জন্য অবস্থান করছিলেন। সোমবার (৩ জুলাই) সকালে নিজ শয়ন কক্ষের বাশেঁর আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
স্থানীয়ভাবে আরও জানায়, রুবিনার মৃত্যুর খবর শুনে রিংকু বিষপান করে রুবিনার বাড়িতে হাজির হয়। বিষপান করার বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিকে এবং পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। রুবিনাকে পরিবারের লোকজন জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পর তার স্বামীকে মেনে নিতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে ফিরে গাংনী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সইবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মামলা নং-২৮, তারিখ: ০৩/০৭/২৩ ইং। মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।















