মনিরামপুর গভীর নলকুপ সমিতির সভাপতি আব্দুল গণি বিশ্বাসের কারনে সেচ প্রকল্পের নলকুপটি বাজেয়াপ্ত হবার সম্ভাবনা।আমন ধান চাষাবাদের  হতাশায় কৃষকেরা।

0
289

মনিরামপুর প্রতিনিধিঃ যশোর মনিরামপুর ১৩নং খানপুর ইউনিয়নের  শেখপাড়া খানপুর গ্রামের একটি গভীর নলকুপ স্হাপন করে ব্যাক্তি মালিকানা এক কৃষকের ফসলের জমির অানুমানিক ১২ফুট, ৬ফুট,১০ফুট আইলের শেষ সীমানার  ভিতর দিয়ে স্হায়ী পাকা ড্রেন নির্মান করে অন্যান্য জমিতে পানি সেচ দিয়ে অাসছিলো জমির মালিককে ক্ষতি করে কোন প্রকার ক্ষতিপূরন ছাড়া। জমির মালিক এক মাত্র পুত্র সন্তান হওয়ায় দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে অাব্দুল গনি বিশ্বাস গং  মিলে  এভাবে জমির মালিকের কমপক্ষে প্রতিবছর (তিনটি ফসল মিলে) একটা ফসলের জমিতে অানুমানিক ২১/২৪ শতক জমিতে ফসল ফলানো থেকে  বঞ্চিত করে এসেছে উক্ত জমিতে বছরে ৩টি ফসলের চাষাবাদ করা হয়।মৌখিক ভাবে জমির মালিক জাহিদ সভাপতি আব্দুল গণি বিশ্বাস কে ড্রেনটি জমির শেষ সীমানা দিয়ে পুনঃসংস্কার করার জন্যে বিশ হাজার টাকা দিতে সম্মত হয় অানুমানিক দুই বছর অাগে কিন্তু সভাপতি আব্দুল গনি বিশ্বাস জমির মালিকের কোন কথার পাত্তায় দেয় নি তারপর জমির মালিক পানি সেচের টাকা পরিশোধ করার সময় বিশ টাকা কম দেয় কিন্তুু সভাপতি গনি টাকা কম নিতে ম্যানেজার কে নিষেধ করে। তারপর  উক্ত জমিটি গত বছর তিনবার সার্ভেয়ার দ্বারা মাপা হয়। মাপার পরে দেখা যায় স্হায়ী পাকা ড্রেন টি জমির জমির মালিকের তিন পাশের শেষ সীমানার  অানুমানিক ১২ফুট, ৬ফুট,১০ফুট ভিতর দিয়ে ড্রেনটি নির্মান করা।তাহার পরে গত ০৮/০৬/২০২১তাং  এবং ১৮/০৪/২০২২ তারিখে স্হায়ী পাকা ড্রেনের জন্যে জমির মালিকের যে ক্ষতি হচ্ছে তাহার জন্যে ক্ষতিপূরন অথবা ড্র্রেন স্হানান্তর এর জন্যে সভাপতি এবং সাধারন সম্পাাদক বরাবর অাবেদন করেন। সাধারন সম্পাাদক অরুন কুমার পালিত  জমিতে স্হায়ী পাকা ড্রেনের জন্যে জমির  মালিকের বেশ   ক্ষতি হচ্ছে দেখে পানির সেচের টাকা কম নিয়ে  জমির মালিক  জাহিদকে  ক্ষতিপূরন দেবার জন্যে সভাপতি অাব্দুল গনি বিশ্বাসকে বলে কিন্তু সভাপতি বলেন জাহিদকে ক্ষতিপূরন দিলে সভাপতি হিসাবে অামাকেও টাকা দিতে হবে।তাহার পর জমির মালিক সভাপতি এর কাছে দীর্ঘ দেড় বছর যাবৎ ছোটাছুটি করলেও কোন  ক্ষতিপূরন দেয়নি বরং বার বার দূরব্যবহার করে তাড়িয়ে দিয়েছে  এবং সর্বশেষ ইরি ধান কাটার পরে ড্রেন নিয়ে সমাধানের কথা সভাপতিকে বলতে গেলে অাব্দুল গনি বিশ্বাস জমির মালিককে বলেন তোমার জমিতে স্হায়ী পাকা ড্রেন যেভাবেই হোক করেছি ৩০/৩৫বছর এখন জমির মালিক অামি হয়ে গেছি দখল সুত্রে এখন অার জমি তোমার নেই ড্রেন উঠানো সম্ভব না।তখন জমির মালিক সভাপতিকে বলেন অাপনি সমাধান না করলে আমি আইনের আশ্রয় নিবো। তখন সভাপতি বলেন পারলে তুমি আইন দিয়ে ড্রেন সরাও অার আমি পারলে আইন দিয়ে ঠেকাবো।তখন জমির মালিক অানুমানিক ২-৩ফুট স্হায়ী পাকা ড্রেন ভেংগে ফেলে খবর পেয়ে জমির নলকুপ সমিতির সাধারন সম্পাদক অাব্দুল মজিদ ঘটনা স্হলে পৌছায়ে জমির মালিককে বলে ড্রেন তোমার জায়গার ভিতরে যখন পড়েছে তখন আমরা একত্রে বসে সমাধান করবো।তখন জমির মালিক উঠে এসে অাব্দুল মজিদ কে বললে যতটুকু ড্রেন ভেংগেছি ওটা অামি মেরামত করে দিবো তাহলে আমাদের ভিতরে ড্রেন নিয়ে যে সমস্যা সেটার একটা অাপোষ করার ব্যবস্হা করেন।তখন জমির মালিক বাড়িতে ফিরে আসার সময় সভাপতি আব্দুল গনির নির্দেশে,একই মহাল্লার দলিল লেখক ১।মোমরেজ পিতা মৃতঃ-মালেক সরদার,২।হাবিবুর রহমান পিতা মৃতঃ-জোনাব আলী সরদার ৩।অাবুল কালাম আজাদ পিতা মৃত-অাকবর আলী গং একত্রে মিলে জমির মালিক কে পথ গতিরোধ করে হত্যা করা এবং ঘরবাড়ি ছাড়া করার হুমকি দেয়।এবং সভাপতি অাব্দুল গনি বিশ্বাস জমির মালিক জাহিদ এর সাথে কোন প্রকার মীমাংসা না করার হুমকি দিয়ে জোর পূর্বক জমি দখল করে পাকা ড্রেন রাখার ঘোষনা দেয়।জমির মালিক নিরুপায় হয়ে RAPID এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন কোম্পানি কমান্ডার,(RAB-6) যশোর বরাবর একটি  অভিযোগ করেন তাহার পরিপ্রেক্ষিতে গভীর নলকুপ সমিতির সভাপতি আব্দুল গনি বিশ্বাস গং এবং জমির মালিক এবং স্হানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আতাউর রহমানকে সাথে  নিয়ে একটি শালিস ও অাপোষনামা হয় সেখানে স্হায়ী সমাধান হিসাবে সিন্ধান্ত হয়  জমির মালিক নিজ দায়িত্বে ড্রেন টি ভেংগে অপসারন করবে এবং  জমির মালিকের  জমির শেষ সীমানা দিয়ে এবং পার্শবর্তী জমির শেষ সীমানা দিয়ে অথবা জমির আইল এর উপর দিয়ে ড্রেন নির্মান করার এবং গভীর নলকুপ সমিতির সভাপতি আব্দুল গনি বিশ্বাস গং লিখিত আকারে প্রতিশ্রুতি দেয় জমির মালিক কে পাকা ড্রেনটি ভেংগে ফেলার পরবর্তীতে নলকুপ সমিতি নিজস্ব খরচে পানি সেচের পাকা ড্রেন টি জমির আইল এর উপর দিয়ে পূনঃ নির্মান করার। শালিসের সিন্ধান্ত অনুযায়ী ড্রেনটি জমির মালিক ভেংগে ফেলে। কিন্ন্তু আব্দুল গনি বিশ্বাস জমির মালিক এবং এলাকার কৃষকের সাথে বেঈমানি করে শুক্রবার মসজিদে জুমআর নামাযের পরে মসজিদে বসে ঘোষনা দেন আমি আর নলকুপ সমিতির সভাপতি থাকবো না। কিন্তু ষাটোর্ধ বয়সের আব্দুল গনি বিশ্বাস এক জন মুসলমান হয়েও মসজিদে উঠে এসব কথা বলে পুনরায় নলকুপের সভাপতি পদ আকড়ে ধরে আছে এবং জমির মালিকের মৃত বাবাকে নিয়েও সভাপতি গনি বিশ্বাস মিথ্যা কু মন্তব্য করায় জমির মালিক তাহার জমির উপর দিয়ে আর পানি সেচের ড্রেন দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন যতদিন না পর্যন্ত আব্দুল গনি বিশ্বাস গভীর নলকুপ সমিতির সভাপতির পদ থেকে অাজীবনের জন্যে পদত্যাগ করছে।সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির মালিকের ড্রেন দিতে কোন আপত্তি থাকবে না বলে জমির মালিক বলেন।সভাপতি পদ আগলে রেখে আব্দুল গনি বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান,মোমরেজ,আবুল কালাম আজাদ এই চারজন লোকের চক্রান্ত করে নলকুপটি বাজেয়াপ্ত করার জন্যে  এলাকার সাধারন কৃষক এবং জমির মালিকের সাথে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে অাসছে। যাহার গণ স্বাক্ষর রহিয়াছে।কৃষকেরা এবং জমির মালিক দ্রুত প্রশাসন এবং কৃষি কর্মকর্তার  হস্তক্ষেপ কামনা করছে।না হলে যে কোন সময় শেখপাড়া খানপুরের গভীর নলকুপ নিয়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্হিতি বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে সভাপতি আব্দুল গনি বিশ্বাসের কারনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here