মণিরামপুর স্বামীর লোহার রডের আঘাতে দুই সন্তানের জননী গুরুতর আহত।

0
198
ইলিয়াস হোসেন ভ্রামমান প্রতিনিধিঃ যশোর মণিরামপুর উপজেলা লাউড়ি গ্রামের লিটন দাস (৩০) এর রডের আঘাতে গুরুতর আহত স্ত্রী ডলি রাণী দাস।
স্হানীয় সুত্রে জানা যায় গত ৬ই জুলাই বৃহস্পতিবার স্বামী লিটন দাসের পরকীয়া প্রেম বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা লোহার রড দিয়ে গুরুতর আহত করে। ডলি রাণী দাসের পায়ের নলি,হাটু ও কোমরে উপরে আঘাত করলে ডলি দাস অজ্ঞান  হয়ে যায়। লিটন দাসের মা ডলি রাণী দাস কে স্হানীয় এক ডাক্তারের নিকট নিয়ে যায়। ডাক্তার জানায় উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যেতে কিন্তু তিনি ডলি রাণী দাস কে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরে অবস্থা  অবনতি হলে তার পিতা মাতার নিকট খবর দেয়।
ডলি রাণী দাসের পিতা ফকির দাশ ও তার স্ত্রী মেয়ের বাড়িতে এসে তার আঘাতের ক্ষত দেখে কান্নাকাটি করে এবং দ্রুত ডলি রাণী দাস কে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।  কর্মরত চিকিৎসক  ডলি রাণী দাস এর ক্ষত দেখে শিউড়ে ওঠে এবং তাকে চিকিৎসা প্রদান করে ভর্তি রাখে। এবিষয়ে ডলি রাণী দাস এর শাশুড়ী জানায় আমার বৌমা কে কখন মেরেছে আমি জানিনা। আমি খবর পেয়ে ডাঃ ডেকে আনি। এবিষয়ে শ্যামকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা দিলিপ কুমার জানায় আমরা সহ গ্রাম বাসি কয়েকবার লিটন দাসের সালিশ করেছি, অন্তত ১০ বার সালিশ করে তাদের সংসার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।তাদের দুই সন্তান, বড়ো ছেলে পার্থ দাস (০৭), ছোটো ছেলে প্লাবন দাস (০২)তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে বার বার লিটন দাস কে ছাড় দিয়ে পুনারায় সংসার জুড়ে দিয়েছি। কিন্তু লিটন দাস ভালো হলো না।  শুনেছি নিয়মিত পরকীয়া চলমান রেখেছে। তার সুত্রপাতে লিটন স্ত্রী কে লোহার রড দিয়ে মারপিট করেছে। তার প্রতিটা হাড়ের জয়েন্টে জয়েন্টে   লোহার রডের আঘাতে খুবই জঘন্য ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধারণা করা হচ্ছে । তিনি আরো জানায় লিটনের শাস্তি হওয়া উচিৎ।
ডলির পিতা ফকির দাস জানায় প্রায় আমার মেয়েকে মারপিট করে আর টাকা নিতে বার বার আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ডলির পিতার বাড়ি মোবারক পুর হওয়ায়, মোবারক পুরের সাবেক ইউপি সদস্য, আমজেদ আলী জানায় এই মেয়েটার বিষয়ে আমি ৮/১০ বার সালিশ করেছি। তার স্বামী লিটন দাস বারবার মারপিট করে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় যৌতুকের টাকা নিতে। ফকির দাস একজন ভ্যান চালক বার বার এতো টাকা কোথায় পাবে তবুও কয়েকবার গরু ছাগল বিক্রি করে লিটন দাস কে টাকা দিয়েছে।
লিটন দাসের বড়ো ছেলে পার্থ দাস(০৭) জানায় আমার বাবা প্রায় আমার মা কে মারপিট করে,সাথে আমাকেও মারতে যায়।ছোট্ট শিশু পার্থ দাস এসময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।এবিষয়ে ডলি দাস জানায় আমাকে আমার স্বামী যে ভাবে নির্যাতন মারপিট করে আর সহ্য করতে পারছি না।এর উপযুক্ত শান্তি চাই

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here