ডুমুরিয়া প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম : ডুমুরিয়ার চুকনগর হালিমা ক্লিনিক যেনো মানুষ মারার কারখানায় পরিণত হয়েছে। চুকনগর হালিমা ক্লিনিকে আবরও ভুল অপারেশনে ফাতেমা খাতুন (১১) নামের এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা ডুমুরিয়া উপজেলা বাদুড়িয়া গ্রামের আলামিন সরদারের মেয়ে এবং বাদুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনির ছাত্রী। এলাকাবাসী ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে গত ৩১ জুলাই সকালে ফাতেমা খাতুনের হঠাৎ পেটে ব্যাথা দেখা দেয়।
চিকিৎসার জন্য তাকে নেয়া হয় চুকনগর হালিমা মেমোরির নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করে। এরপর সন্ধ্যায় শুশিটির এ্যাপান্টিস্ অপারেশন করেন,বহুল আলোচিত কতিথ ডাঃ কামাল হোসেন।
৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরে পেট স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ফেঁপে ফুলে যায়। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী পরিবার শুক্রবার সকালে পূনরায় হালিমা ক্লিনিক নিয়ে। সেখানে আবারও সেলাই কেঁটে ভিতরে বেগতিক অবস্থা দেখা মাত্র যেনতেন ভাবে কাপড় দিয়ে বেধে রোগীটিকে এ্যাম্বুলেন্স যোগে তড়িঘড়ি করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।ঘটনার খবর পেয়ে মাগুরাঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হেলাল উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ শোকাহত পরিবারের সমবেদনা জানাতে ওই বাড়িতেযান। ভুল চিকিৎসায় শিশুটির অকাল মৃত্যুতে সহপাটি ও স্বজনদের আহাজারিতে এক হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটে। গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। এদিকে অভিযোগ রয়েছে স্বাস্থ্য বিধিমালা তোয়াক্কা না করে অবৈধ ভাবে পরিচালনা করে আসছে ওই ক্লিনিকটি।সেখানে নেই কোন বিশেষজ্ঞ সার্জারী চিকিৎসক ও এ্যান্সথেশিয়া নেই ডিপ্লমাধারি নার্স,নেই অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতি। এছাড়া ওই ক্লিনিকে ইতোপূর্বে কেবশপুরের বুড়ুলিয়ার এক নবজাতকের মুত্যুর ঘটনা হত্যা মামলা রুজু হয়। আদালতের আদোশে ৩ মাসের মাথায় কবর থেকে উত্তোলন করে লাশ ময়নাতদন্ত সমপন্ন করেন। ডুমুরিয়ার এক বৃদ্ধের প্রস্টেট গ্যাল্ডানার ভুল অপারেশনে লাশ হয়ে বাড়ি ফেরে। ডুমুরিয়ার আটলিয়ার বরাতিয়া ঋষি পল্লীর এক প্রসুতির মায়ের ভুল অপারেশনে মৃত্যুর ঘটে।এঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতর পরিবার। ক্লিনিক মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ওই ক্লিনিকের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। বিভিন্ন সময় ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর জন্য দীর্ঘদিন কারা ভোগ করেন ক্লিনিক কামাল হোসেন সহ মালায় আসমি গন। এছাড়া স্বাস্থ্য বিধিমালা অমান্য করে ক্লিনিক পরিচালনার অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযুক্ত ক্লিনিকটি একাধিক বার সিলগালা করে দেয় প্রশাসন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই অজ্ঞাত কারণে আবারও ক্লিনিক চালু হয়ে যায়। তালা শিরাশুনির এলাকার এক নারির মুত্রা নাড়ি কেঁটে ফেলে। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে।আলোচিত ওই ক্লিনিকটি যেনো এক মানুষ মারার কারখানায় পরিনত হয়েছে। শুধু ভুল চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে শেষ নয়।
স্থানীয় লোকজন প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে বলেন,ক্লিনিকের ৩য় তলায় একটি ফ্লাটে সুন্দরী নারি এনে দেহব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত সেখানে সন্ধ্যা থেকে বসে মাদকের বড় আসর। মদ, ইয়াবা ফেন্সিডিলসহ চাহিদা মত সকল ধরনের মাদকদ্রব্য তিনি সংগ্রহে রাখে। আর সাথে গভির রাত পর্যন্ত চলে সুন্দরী নারি দিয়ে দেহব্যবসা















