মহেশপুর কুশাডাংগা বীজ উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুনীতির অভিযোগ।

0
167
মহেশপুর  ঝিনাইদহ, অফিস ঃ- ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী উপজেলার মহেশপুরে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম শস্য বীজ উৎপাদন খামার দত্তনগর কৃষি ফার্ম।মহেশপুর উপজেলার এশিয়ার  বৃহত্তম দত্তনগরের বীজ উৎপাদন খামার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত। ভূয়া বিল ভাউচার, হাইব্রিড বীজ প্রেরণে অনিয়ম, শ্রমিকের টাকা আত্মাসাৎ, অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে কুশোডাঙ্গা বীজ উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে।মহিলা শ্রমিকদের প্রতিদিন জনপ্রতি ২০০ টাকা করে হাজিরা দিয়ে আসছেন । কিন্তু মাস্টাররোল দেখিয়ে ৪০০ টাকা করে। এছাড়াও তিনি শ্রমিকদের হাজিরা নিজের ইচ্ছা মতো ভূয়া মাস্টাররোলে তৈরি করেন এবং মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন কুশোডাঙ্গা বীজ উৎপাদন খামারের শ্রমিকরা। এছাড়াও নানা দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এলাকার শ্রমিকসহ সাধারণ জনগন কৃষি মন্ত্রী, ঝিনাইদহ ৩-আসনের সংসদ সদস্য, বি এ ডিসির চেয়ারম্যান, দূর্নীতি দমন কমিশন বরাবর অভিযোগ পত্র দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।  উল্লেখ্য দূর্নীতিবাজ উপ-পরিচালক রেজাউল করিম কুশাডাংগা খামারে যোগদান করেই নিজেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের জামাই পরিচয় দিয়ে এহেন কর্মকান্ড সাথে দম্ভের সাথে শুরু করেন। খামারের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন উপ পরিচালক রেজাউল ইসলাম খামরটিকে দূর্নীতি ভয়ের রাজ্য তৈরি করেছেন তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ  মুখ খুললেই  তাকে বদলী সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকেন। ঈদ কোরবানিতে বোনাসের টাকা ভুয়া মাস্টার রোল তৈরী করে লক্ষ লক্ষ টাকা পকেটস্থ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে খামারে বেশ কয়েকজন শ্রমিক জানান তারা শুধু মাত্র হাজিরা নিয়ে থাকেন আর পরে আসাদ স্যার আর বড় স্যার নিজের ইচ্ছা মতো মাস্টাররোল  তৈরি করেন।

গতমাসে শ্রমিকদের হাজিরা ব্যাংক একাউন্ট এবং চেকের মাধ্যমে  দেয়ার  জন্য অডিট আপত্তি  আসে । কতৃপক্ষ সে মোতাবেক একটি পরিপত্র দেন কমিটি করে শ্রমিক হাজিরা চেকের মাধ্যমে দেয়ার জন্য। সে আদেশকে তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছা মতো ভূয়া মাস্টার রোল তৈরী করে  শ্রমিকদের হাজিরা প্রদান করেন। এ নিয়ে খামার পাড়ায় বিভিন্ন গুনজন রয়েছে। এ খামারে যোগদান করার পর থেকে  ঢাকা  শহরে কোটি টাকার  ফ্লাট ও জায়গা জমি কিনেছে নিজের এবং তার স্ত্রীর নামে। ভুয়া বিল ভাউচার তৈরী করে শ্রমিকদের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এই খামারে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই দীর্ঘদিন অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে নিজেস্ব বলাই তৈরী করে নিজের খেয়াল খুশিমতো খামারটিতে দূর্নীতির আকড়ায় পরিনত করেছেন বলেও গুনজন রয়েছে খামার পাড়ায়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপ পরিচালক রেজাউল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আপনি আমার কাছে আসেন খামারে একটু আধটু অনিয়ম হয়েই   থাকে। তবে আমার যে অভিযোগ আনিত হয়েছে তা সঠিক নয় ।
স্থানীয় এক সাংবাদিকে দিয়ে ম্যানেজ করার ও চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে কথা হয় বি এ ডিসির খামার বিভাগের ম্যানেজার  যুগ্ম পরিচালক সেলিম হায়দারের সাথে তিনি বলেন অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক  ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কথা হয় এ জিএম ফকরুল ইসলামের সাথে তিনি বলেন কিছু অসংগতির কারণে  শ্রমিক হাজিরা চেকের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যম কর্মীর সাথে কথা হয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের  সাবেক মহা পরিচালক বর্তমান কৃষি মন্ত্রীর উপদেষ্টা হামিদুর রহমানের সাথে তিনি বলেন ব্যাংক চেকের মাধ্যমে দেওয়া হয় না তা আমার জানা ছিল না মন্ত্রণালয়ের মিটিং এ বিষয়টি উথাপন করে  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here