পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের ৪০ শতাংশ শুল্কায়ন যুক্ত । আমদানি বন্ধের শঙ্কা

0
172

বেনাপোল থেকে এনামুলহকঃ  দেশের বাইরে পেঁয়াজ রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে  রপ্তানী মুল্যের উপর ৪০% শুল্ক আরোপ করেছে ভারত সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়। এখন থেকে কোন পেঁয়াজ দেশের বাইরে রফতানি হলে সরকারকে ৪০ শতাংশ শুল্ককর দিতে হবে। এতে কেজিতে আরো ২০ টাকা আমদানি খরচ বাড়বে। দেশে  চাহিদা বাড়ায় প্রতিদিন কমবেশি পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে শুল্ককর বৃদ্ধিতে গত২২।০৮।২৩ইং রোজ রবিবার থেকে ২২।০৮।২৩ রোজ মঙ্গলবার পযন্ত কোন পেঁয়াজবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেনি। ফলে লোকশানের শঙ্কায় আমদানি বন্ধ হতে পারে।গত শনিবার (১৯ আগস্ট) হঠাৎ করে এক প্রজ্ঞাপনে পেঁয়াজ রফতানির উপর ৪০ শতাংশ শুল্ককর আরোপ করে ভারত সরকার। এতে আরো ২০ টাকা কেজিতে আমদানি খরচ বেড়ে যায়।বানিজ্যিক সংশিষ্টরা বলছেন, দেশে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ উৎপাদন কম হওয়ায় বাইরে থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হয়। আর এ পেঁয়াজ বেশি ভাগ আমদানি করা হয় ভারত থেকে।  তবে যখন দেশে কোন খাদ্য দ্রবের চাহিদা বেশি দেখা দেয় তখন মুল্য বৃদ্ধি বা রফতানি বন্ধ করে ভারত। এতে বিপাকে পড়তে হয় আমদানি কারকদের।ফলে লোকশানের আশঙ্কায় পেঁয়াজ আমদানি আপাতত করবেন কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।ধারন ক্রেতা  কামাল হোসেন জানান, বর্তমানে ৬৫  টাকা কেজিতে পেঁয়াজ খুরচা বিক্রি হচ্ছে। আমদানি কমে গেলে দাম বাড়বে। বেশি দামে  পেঁয়াজ কেনা কষ্ট হয়ে যায়।বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ জানান, যখন দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় কোন খাদ্যের চাহিদা বেশি দেখা দেয়। তখন মুল্য বৃদ্ধি বা রফতানি বন্ধ করে ভারত। এতে বিপাকে পড়তে হয় আমদানি কারকদের।বেনাপোল আমদানি,রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান,চাহিদা মেটাতে বছরে প্রায় ৮ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। বর্তমানে খুরচা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ পেঁয়াজ রফতানির উপর ভারত সরকারের শুল্ককর বৃদ্ধিতে  দেশে পেঁয়াজের বাজার উধ্বগতির আশঙ্কা বাড়ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। পেঁয়াজ আমদানি কারক উজ্বল বিশ্বাস জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে এমনিতেই আমদানি কমেছে। আবার নতুন করে  পেঁয়াজ রফতানি  নিরুৎসাহিত করতে ৪০ শতাংশ শুল্ক যুক্ত করেছে ভারত।  এমন সিদ্ধান্তে আমদানি কারকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আমদানি কমে গেলে দেশিয় বাজারে দাম আরো বাড়বে। যার বিরুপ প্রভাব পড়বে সাধারন ক্রেতার উপর।বেনাপোল বন্দর পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, চলতি মাসে ৭৮০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। নানান কারনে বর্তমানে আমদানি কমেছে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here