আপনার কত লাগবে সরকারি ঔষধ আমি এনে দিব। আমি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নার্সিং ভর্তি হয়েছি ঔষধ আনা কোন ব্যাপারিই না আমাদের জন্য। 

0
174
কামরুজ্জামান লিটন ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : সরাসরি ঔষধ এভাবেই নষ্ট করছে।  ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নার্সিং ভর্তি হওয়া, এবং বিভিন্ন ম্যাটসে ভর্তি হওয়া ছাত্র, ছাত্রী এবং হাসপাতালে ওমেদারী ও এ্যাডহক, লেবার খাটা মানুষ  গুলো। হ্যা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে দেখা যাই যে কিছু ছেলে ও মেয়েরা এ্যাবরুন গায়ে দিয়ে হাসপাতালের ঔষধ বিভাগ থেকে ঔষধ তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
এই ঔষধ কোথায় পেলেন জানতে চাইলে একজন বলেন ঔষধ বিভাগের দায়িত্বে থাকা রুহুল আমিন ভায়ের কাছ থেকে নিয়ে আসলাম। সিলিপ বাদে কিভাবে ঔষধ  নিয়ে আসলেন। উত্তরে বলেন আমাদের সিলিপ লাগেনা। রুহুল আমিন ভাই আছে না।
 এদিকে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সরকারি ওষুধ ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গ্রাম্য ডাক্তার  রবিউল ইসলাম ওরফে  আপেলর বিরুদ্ধে। (১১ই-সেপ্টেম্বর)সোমবার উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের হরিন্দীয়া বাজারে তালুকদার চিকিৎসালয়ে অবৈধ ভাবে  সরকারি ওষুধ ব্যবহার করে চিকিৎসা দিতে দেখা যায়। রবিউল ইসলাম আপেল গ্রাম্য চিকিৎসক হয়ে কিভাবে সরকারি ওষুধ ব্যবহার করে চিকিৎসা দিচ্ছে এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি ওষুধ  সরকারি হাসপাতাল ছাড়া বাইরে ব্যবহার করা দন্ডনিয় অপরাধ। তারপর ও বহুল তবিয়তে সরকারি বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন ব্যবহার করে চালিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা।
তথ্য  নিয়ে জানাযায় গ্রাম্য চিকিৎসক রবিউল সরকারি এন্টিবায়োটিক,১ গ্রাম ইনজেকশন, ইসোরাল ইনজেকশন সহ এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট  দেদারসে বিক্রি করছেন তার নিজ ওষধের দোকানে। এ বিষয়
গ্রাম্য ডাক্তার  রবিউলের কাছে  সরকারি ঔষধ বিক্রি ও রেজিস্ট্রাট চিকিৎসক ছাড়া চিকিৎসা দেওয়া  যায় কি না বা কোথা থেকে পান ওষুধ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব  হরিন্দীয়া গ্রামের শরিফুলের ছেলে
আল-আমিন আমাকে দিয়েছে। এ বিষয়  আল-আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, হ্যা আমি দিয়েছি শুধু তাই নয় আরো অনেকের এনে দিয়েছি।আমি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নার্সিং ভর্তি হয়েছি তাই সব ওষুধ আমি আনতে পারি। জানাতে চাওয়া হয় আপনি তো চিকিৎসক না সরকারি ঔষধ কিভাবে  আনেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আপনার কত লাগবে বলেন। এ বিষয় কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি  জানান, সরকারি ওষুধ বাইরে কোথায়ও ব্যবহার করার সুযোগ নেই। কে বিক্রি করছেন এমন তথ্য পেলে জানান তাক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে । ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন শুভ্রা রানী দেবনাথ বলেন, সরকারি কোন কর্মকর্তা কর্মচারী নার্স বা নার্সিং ইনস্টিটিউটের কেউ সরকারি ঔষধ বাহিরে কোথাও বিক্রি করার সুযোগ নেই। হাতেনাতে ধরতে পারলে অবশ্যই জানাবেন ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল জরিমানা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here