রাসেল মাহমুদ : অনেকটা অসময়; আশ্বিনের শেষে বিরামহীন বৃষ্টিপাতে জনজীবনের স্বাভাবিক গতিধারাকে ছন্দপতন ঘটিয়েছে। টানাবর্ষনে ভাসছে রূপদিয়া অঞ্চলের রাস্তাঘাট, বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ প্রায় সবকিছু। এলাকার মাঠেঘাটে থৈ থৈ করছে পানি আর পানি। নরেন্দ্রপুর আর কচুয়া পাশাপাশি এই দু’ইউনিয়ন দ্বীখন্ডিত করে বয়ে চলা ভৈরব নদী’র পানিও যেন উপচে পড়ার উপক্রম। রূপদিয়া, হাটবিলা, মুনসেফপুর, মালিডাঙ্গা, জামতলা, শাখারীগাতী সহ অত্রাঞ্চলের শকাধিক পুকুর ওও মাছের ঘের এই মুহুর্তে ডুবুডুবু প্রায়। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে হুমকির মুখে জীবিকার এসকল উৎস। এছাও এলাকার বিভিন্ন কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাপনাতে ও বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি করেছে টানা বর্ষণ। সর্বত্রে এখন রোপিত ধানের চারায় ফুল আসতে শুরু করেছে। রোপিত সে সব আমন ধান বৃষ্টিতে পানিতে তলিয়েছে পানির নিচে।
প্রকৃতি যেন ফসল উৎপাদনের এসকল ক্ষেত্র; পথ রোধ করতে চাইছে। এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এই মুহুর্তে পানি বন্দী। সৃষ্ট কাদাপানিতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে করে স্বাভাবিক পাঠপরিক্রমার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। অতি বৃষ্টির কারনে বাজারঘাটের দোকানগুলো যেমন খুলতে পারছে না অনুরুপ ক্রেতার অভাব দেখা দিচ্ছে। ফুটপথের ব্যবসায়ীরা হাত বা গোটো করে অলস সময় অতিবাহিত করছে। মানুষগুলো কাজের অভাবে অর্থ উপার্জন করতে না পেরে জীবন জীবিকায় আঘাতে আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হচ্ছে। বৃষ্টির পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে গত দুই দিনে বৃষ্টিপাত থামেনি ধারাবাহিক ভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। রূপদিয়ার একাধিক স্থানে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। খানাখোন্দক এলাকায় পানি জমে আরও অধিকতর খানা খন্দোকের সৃষ্টি হয়েছে। উলেখযোগ্য সংযোগ সড়কে পানি জমে যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে কষ্টকর করে তুলেছে। এলাকায় পানিতে থৈ থৈ করছে। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হাটবিলা পুলিশ ক্যাম্প এলাকার জনসাধারন চরম ভোগান্তী আর















