স্টাফ রিপোর্টার:- মণিরামপুর উপজেলার জলকা রোহিতা গ্রামের ইসমাইল হোসেন এর ছেলে হাতেম আলী বিগত ২০১৯ সালে ঝিকরগাছা উপজেলার বোদখানা গ্রামের ভিটু রহমানের কন্যা রজনীকে বিয়ে করে। বিয়ের তিন চার মাস পর বিদেশ চলে যায় হাতেম আলী। এর পর থেকে শ্বশুর বাড়ীর সাথে স্ত্রী রজনীর দ্বন্দ শুরু হয়।দিন দিন দ্বন্দ প্রকট আকার ধারণ করতে থাকে। এর মধ্যে স্ত্রী রজনী তার প্রবাসী স্বামীর কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে স্বামী হাতেম আলীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এর মাঝে তাদের একটা কন্যা সন্তানের জম্ম হয়। তার পরও শ্বশুর বাড়িকে মেনে নিতে পারেনি রজনী। অবশেষে স্বামী হাতেমের পিতা ইসমাইল হোসেন দ্বন্দ নিরসনের জন্য রোহিতা ইউপিতে লিখিত আবেদন করেন। সেখানে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে গত ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করলে সেটি
সম্ভব হয়নি।
এদিকে স্বামী বিদেশ ও স্ত্রী রজনী দেশে এভাবে ঘর সংসার করা সম্ভব নয়। তাই রজনী তার স্বামীকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এক পর্যায় ২০২১ সালের আগস্ট মাসের ৮ তারিখে উভয় পক্ষের আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে স্বামীর পিতা ইসমাইলের কাছ থেকে দেনমোহর ও খোরপোষ বুঝিয়া পাইয়া স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক প্রদান করেন। যে তালাকের ঘোষনা পত্রে স্ত্রী রজনী পক্ষের তার মাতা তাছলিমা, চাচাতভাই গফ্ফার,জামাই অসীম, জামাই মাহাবুর এবং স্বামী হাতেম আলীর পক্ষের লোকজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বাক্ষরীত স্টাম্প। যাহা রোটারী পাবলিক ও কোর্ট কর্তৃক এভিডেবিট এর মাধ্যমে স্ত্রী রজনী নিজেই স্বামীকে তালাক প্রদান করেন।
তার পরও হয়রানী ও মানহানি করার জন্য এবং অর্থের মোহে আকৃষ্ঠ হয়ে এ ঘটনার পর ২০২২ সালে ঐ স্ত্রী রজনী তার স্বামী হাতেম আলীর নামের যৌতুক মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর জি আর ৬৯৭। এর পর রোহিতা ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী, এক মেম্বর ও সচিব এবং শ্বশুর ইসমাইল হোসেনকে আসামী করে পারিবারিক আদালতে একটা মামলা দায়ের করেন। যাহা মানবধীকার উন্নয়ন উদ্যোগ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আপোষ মিমাংশার মাধ্যমে গত ৭-১২-২০ তারিখে এভিডেভিট করা হয়েছে। অথচ সম্প্রতি আবারও ঐ মামলার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে স্বামী হাতেম আলীর পিতা ইসমাইল হোসের কাছে টাকা দাবী করছে ও বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এতে চরম ভাবে পরিবারটি বিপদে রয়েছে ও মানক্ষুন্ন হচ্ছে। এ বিষয়ে ইসমাইল হোসেন বলেন,ঐ পরিবারের কাছে আমার একটি নাতনি রয়েছে। নাতনিকে পুজি করে তারা আমাদের নানান ভারে হয়রানী করছে। এছাড়া বিষয়টি উভয় পক্ষের আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে উভয় পক্ষের স্বাক্ষীদের স্বাক্ষরসহ এভিডেভিটের মাধ্যমে যেখানে স্ত্রী তার স্বামীকে তালাক দিলো। সেখানে অসীম নামের ঐ ব্যক্তি স্ত্রী পক্ষের স্বাক্ষরদাতা হয়েও তিনি মোবাইল ফোনে স্বামীর পিতা ইসমাইল হোসের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবী করছে। শুধু এই নয় স্ত্রী রজনী পক্ষের উকিলও অকথ্য খারাপ ভাষায় গালিগাজ করছে। বিষয় সুষ্ট বিচারের জন্য ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি জোর দাবী করেছেন।















