অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের অভয়নগরে যুবলীগ নেতা মুরাদ হোসেন (২৮) হত্যাকান্ডের পাঁচ দিন
পর ১০ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামী বাবুল আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুযারি) সকালে যশোর জেলা কারাগারে পাঠানো
হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেরাতে উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের
তরফদারপাড়া নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে থানার পুলিশ। বাবুল আক্তার
একই এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে।
জানা যায়, নিহত মুরাদ হোসেন মধ্য তরফদারপাড়া এলাকার সাহাবুল ইসলামের
ছেলে ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে
ছিলেন। গত রোববার রাতে বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে ওৎ পেতে থাকা
সন্ত্রাসী তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আহত মুরাদকে
প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে খুলনা মেডিকেলে যায়। খুলনায়
পৌঁছালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর দিন
স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের নেতৃত্বে লাশ নিয়ে নওয়াপাড়া বাজারে বিক্ষোভ
মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করে। নিহতের লাশের ময়না তদন্ত শেষে পারিবারিক
গোরস্তানে দাফন করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১০ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে
আসামী করে গত মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত মুরাদের বোন লিলি
বেগম বাদী হয়ে থানায় হত্যার মামলা দয়ের করেন। যার মামলা নম্বর ১২। মামলায়
স্থানীয় ওবেদ ফারাজীর ছেলে শাহীন ফারাজীকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
এছাড়াও অন্যান্য আসামীরা হলেন আনোয়ার হোসেনের ছেলে কে এম আলী,
জলিল শেখের ছেলে ও স্থানীয় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুস সালাম শেখ ও
তার ভাই আলমগীর শেখ, মৃত বারিক শেখের ছেলে আজিম শেখ, পীর
মোহাম্মদের ছেলে রিপন গাজী, মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে বিল্লাল হোসেন,
মৃত আব্দুল মজিদ খাঁর ছেলে রুহুল আমিন খাঁ, লতিফ মিনার ছেলে রাসেল
মিনা। ঘটনার মোটিভ উদঘটন পূর্বক প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতার করার
জন্য পুলিশের একাধিক সংস্থা কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আকিকুল
ইসলাম বলেন, মুরাদ হত্যা ১০ নম্বর আসামি বাবুলকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযান
অব্যাহত আছে। বাকী আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।















