মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার মদীনা ক্লিনিক ও গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভোক্তা অধিকার অধিদ্ফতরের অভিযানে দুই ক্লিনিক মালিককে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
বুধবার দুপুর ২ টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের সদর হাসপাতাল এলা
সড়কে ক্লিনিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভোক্তার অধিকার অধিদফতরের নেতৃত্বে এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ চুয়াডাঙ্গা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ।এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা.
সাজিদ হাসান, সেনেটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম।
চিকিৎসক মেডিকেল অফিসার ডা.
সাজিদ হাসান বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ অজ্ঞান করার ইনজেকশন কোন রোগীর শরীরে পুষ করা হলে মৃত্যুও হতে পারে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় চুয়াডাঙ্গা শহরে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মদিনা ক্লিনিকের ফ্রীজ থেকে বিপুল পরিমান মেয়াদোত্তীর্ণ অজ্ঞান (অ্যানেসথেসিয়া) করার ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
একই সাথে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ২০০৯ এর ৫২ ধারায় মালিক হুমায়ন কবিরকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।অপরদিকে, গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করার মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট উদ্ধার করা হয়। উক্ত অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক আরফিনা খাতুনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভোক্তা অধিদফতরের যৌথভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ অজ্ঞান করার ইনজেকশনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ইনজেকশন রোগীকে পুশ করা হয়ে মৃত্যুও হতে পারে।সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ অজ্ঞান করার ইনজেকশন, রি-এজেন্ট উদ্ধার সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে দুই ক্লিনিক মালিককে মোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।















