সারা দেশে যত্রতত্র কওমি-নূরানী মাদরাসা বাড়ছে। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে। শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল-এর এ ধরনের মন্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সংগ্রামী সভাপতি মুহাম্মাদ ইমরান হুসাইন
১৩ মার্চ ২০২৪ বুধবার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ ইমরান হুসাইন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ আজিজুর রহমান এর সঞ্চালনায় আয়োজিত দিনব্যাপী থানা প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মিশনে নেমেছে শিক্ষামন্ত্রী। তারই পরিকল্পনার অংশ দেশের নূরানী ও কওমি মাদরাসা বন্ধের ষড়যন্ত্র।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ষড়যন্ত্র দেশের ছাত্র সমাজ মেনে নিবে না।
শিক্ষা কারিকুলামে ধর্মীয় শিক্ষার সংকোচন ও ভিনদেশি শিক্ষার অনুপ্রবেশের কারণে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থী কমছে। এর দায়ভার কোনভাবেই নূরানী মাদরাসা বা কওমী মাদরাসার নয়। বরং এর দায়ভার শিক্ষামন্ত্রীকেই নিতে হবে।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর থানা প্রতিনিধি সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ ফয়েজ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ আবুল হাসান , প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মাদ শাকিল আহমেদ, দাওয়াহ সম্পাদক মুহাম্মাদ আলাউদ্দীন মাহমুদ, তথ্য-গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মাদ হাসিবুর রহমান , প্রকাশনা ও দফতর সম্পাদক রেজওয়ান আহমেদ , অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক রফিকুল হক রিফাত , বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মুহাম্মাদ আব্দুর রউফ , কওমী মাদরাসা সম্পাদক মুহাম্মাদ আরিফ বিল্লাহ, আলিয়া মাদ্রাসা সম্পাদক মুহাম্মাদ উসামা বিন কামাল , স্কুল ও কলেজ সম্পাদক মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান সামাউন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুহাম্মাদ মাসুদুর রহমান প্রমুখ,















