জি এম মোস্তাক আহমেদ, কপিলমুনি প্রতিনিধিঃ পাইকগাছা উপজেলার কাশিমনগর বটতলায় অনুষ্ঠিত একদিনের আয়োজনে খরচ প্রায় অর্ধকোটি বলে ধারণা করা হয়েছে। এরই মধ্যে যঞ্জভূমিতে প্রবেশ দ্বারে ছিল ভারত এর মায়াপুর ইসকন মন্দিরের অনুকরণীয় সুবিশাল দৃষ্টিনন্দন রাজকীয় গেট। যেটি আগত হরিনামসহ দর্শনার্থীদের যেমন আর্কষনীয় করেছে, তেমনি প্রাণ ফিরেছে যঞ্জভূমির। খুলনা জেলার ভিতরে সর্ববৃহৎ এ মহানামযঞ্জ অনুষ্ঠান ঘিরে তাই শুক্রবার যঞ্জভূমি ছিল লোকে লোকারণ্য। আগত হরিনাম ভক্তবৃন্দের চাপ সামাল দিতে একপ্রকার হিমশিম থেকে হয় আয়োজক কমিটিকে। সকাল গড়িয়ে দুপুর নামার সাথে সাথে যঞ্জভূমিতে সমাবেত হতে থাকে সনাতন সম্প্রদায়ের হরিনাম প্রিয়াসী ভক্তবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। একপর্যায়ে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে যঞ্জভূমি স্থল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ভক্তবৃন্দের পদভারে তখন যঞ্জভূমির শ্রী অঙ্গন যেন এক অপরুপ সনাতনী সাজে রুপ নেয়। এসময় ভীড় সামাল দিতে আয়োজক কমিটিকে কিছুটা হিমশিম খেতে হয়। তারপরও আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দকে একটুও নিরাস হতে দেখাযায়নি। হরিনামের ছন্দের তালে তালে সেখানে আগত ভক্তবৃন্দের মাঝে লেবুর শরবত, তরমুজ, আপেল, আঙ্গুর, পেয়ারা ও খিরাই দিয়ে তাদেরকে আপ্যায়িত করতে দেখাগেছে। তাদের অতিথি আপ্যায়ন মনোমুগ্ধ করেছে সকলকে। কাশিমনগর বটতলা পরিচালনায় পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, সভাপতি ও আসন্ন পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনন্দ মোহন বিশ্বাস ও সাধারণ কার্ত্তিক চন্দ্র সাধু ও আয়োজক কমিটিসহ এলাকাবাসীর কয়েকশত কর্মীকে সার্বক্ষণিক নিরলস পরিশ্রম করতে দেখা গেছে এ আয়োজনে। এ যেন তাদের অনুপ্রেরণার ফসল। শুক্রবার মহানামযঞ্জ অনুষ্ঠিত হলেও মূলত এর সূচনা শুরু হয়েছে ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার থেকে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১০.০১ মিনিটে ধর্মীয় যাত্রাপালা “মহারাজা হরিশচন্দ্র” পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে এ পর্ব আয়োজনের।















