মণিরামপুরে অজ্ঞাত ব‍্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত‍্যা

0
225
আনিছুর রহমান:- মণিরামপুরের জোকা গ্রামের পাঁকা রাস্তার পাশে ধান ক্ষেত থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব‍্যক্তির রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশটির বুকে ছুরির তিনটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে অন‍্য কোথাও থেকে তাকে হত‍্যা করে এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২ মে সকালে ধান মালিক জোকা গ্রামের আয়ুব হোসেন ৭ জন কৃষেন নিয়ে ধান কাটার জন‍্য ক্ষেতের কাছে আসে। এ সময় কৃষেনরা দেখে ধান ক্ষেত দিয়ে কি যেনো টেনে নিয়ে গেছে। একটু এগিয়ে যেয়ে দেখতে পায় রক্তমাখা এক যুবকের লাশ পড়ে আছে। কিছু ক্ষনের মধ‍্যে বিষয়টি চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকে নারী পুরুষসহ লোকজন ঝাঁকে ঝাঁকে লাশটি দেখতে আসে। কিন্তু কেহ ই লাশটি সনাক্ত করতে পারেনি। এর পর সংবাদ পেয়ে সংশ্লিষ্ট ঝাঁপা ফাঁড়ি পুলিশ, মণিরামপুর থানা পুলিশ, যশোর পিবিআই পুলিশ, ডিবি,ডিএসবি,সিআইডি,র‍্যাবসহ সকল প্রকারের প্রশাসন ঘটনা স্থলে আসেন। কিন্তু লাশটি সনাক্ত করতে না পারাই পুলিশ প্রশাসন লাশটি যশোরে নিয়ে যায়। লাশটির বাড়ি পাবনা জেলায় বলে সম্ভব‍্য পরিচয় সনাক্ত করতে পেরেছে বলে যশোর প্রশাসনের একটি আইডি থেকে এমনটি জানা গেছে।
দেখা গেছে  দোদাড়িয়া টু ষোলখাদা পাঁকা রাস্তার জোকা গ্রাম সংলগ্ন রাস্তার ধারে ১০ ফুট মত ধান ক্ষেতের ভীতরে উত্তর দক্ষিন অবস্থায় লাশটি পড়ে ছিল। লাশের শরীরের বাম বুকে ছুরির তিনটি আঘাত ও কানের নীচে আঘাতের কালো চিহ্ন রয়েছে। লাশের পায়ের গোড়াই ২ লিটার একটি খালি পানির বোতল পড়ে ছিল। লাশটির পরনে লুঙ্গি, জাহাঙ্গীয়া ও গায়ে লাল রংগের শার্ট ছিলো। এ বিষয়ে ধান মালিক আয়ুব হোসেন বলেন, আমি সকালে  কৃষেন নিয়ে ধান কাটাতে এসে লাশটি দেখতে পেয়ে লোকজনকে জানাই। স্থানীয় মেম্বর শাহানারা বেগম ও সাবেক মেম্বর ইউছুপ আলী বলেন, সকালে ঘটনাটি জানতে পেরে দৌড়ে এসে দেখে আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সনজিত কুমার বলেন, আমি ঘটনাটি জানা মাত্রই এখানে এসে লাশটি সনাক্তের জোর চেষ্টা চালাই। কিন্তু কোন পরিচয় জানতে পারেনি। জেলা ও থানার সকল প্রশাসন এসেও লাশের পরিচয় সনাক্ত করতে না পারাই লাশটি উদ্ধার করে যশোর প্রেরন করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here