ইমদাদ হোসেন,চুড়ামনকাটি : টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কটির বেহাল দশা হয়েছে। বর্তমানে মড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে এমন বড় বড় গর্ত হয়েছে যে যানবহন চলাচল করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এ সড়কের হাজার হাজার যাত্রী।বর্তমানে সড়কটি বিপজ্জনক সড়কে পরিনত হয়েছে।
দেখা যায়, বিগত কয়েক বছর পূর্বে সড়কটি নতুনভাবে নির্মানের পর থেকেই রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় উঁচু নিচু হয়ে পড়ে।উঁচু নিচু স্থানে পানি জমে গর্তের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মুল রাস্তা থেকে রাস্তার সাইড অনেক নিচু হওয়ায় আরো ভয়ংকর হয়ে গেছে রাস্তাটি। সরেজমিন ঝিনাইদাহ থেকে পালবাড়ির মোড় পর্যন্ত একাধিক জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে হয়েছে। প্রচন্ডে গরমে রাস্তায় পিচ গলে বেশি উঁচু নিচু সৃষ্টির স্থানে বর্তানের কয়দিনের বৃষ্টিতে ভয়ংকর গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাস্তাটি। দেখা যায়, এসব গর্ত বন্ধ করতে কয়েকদিন ধরে রাস্তা মাটি কাটা মেশিন দিয়ে সমান করার চেষ্টার পাশাপাশি নিচু জায়গায় ইটের খোয়া দিয়ে নামমাত্র গর্ত ভর্তি করা হচ্ছে। এ সড়কে চলাচলকারী যানবহনের চালকদের অভিযোগ সড়ক নির্মাণের সময় সিডিউল অনুয়াযী ৫ ফুট ভিত খুঁড়ে রাস্তা করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সেটি অমান্য করে সড়ক নির্মাণ করায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে মুল সড়কের কোল ঘেঁষে রাস্তার সাইড অনেক নিঁচ হওয়ায় প্রায় ছোট বড় দূর্ঘটনা ঘটে এই সড়কে।সড়কের বড় বড় গর্ত ও পাশে পানি জমে থাকায় কার্দমাক্ত হয়ে সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
রুপসা পরিবহনের চালক ইবাদত হোসেন জানান,গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাস্তাটি সম্পূর্ন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে খুলনা থেকে কুষ্টিয়া যাতায়াত করছি।
ট্রাক চালক বাবুল হোসেন জানান, রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় পন্যবোঝাই করে ট্রাক চালানো মুশকিল হয়ে পড়েছে।এই কয়দিনে রাস্তার এমন বেহাল দশার কারণে একাধিক ট্রাক গর্তে পড়ে বিকল হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
চুড়ামনকাটি গ্রামের ইজিবাইক চালক মহিদুল ইসলাম জানান, বারীনগর বাজার থেকে পালবাড়ির মোড় পর্যন্ত যাতায়াত করা মুশকিল হয়ে পড়েছে।
ইসরাইল হোসেন নামের একজন মোটরসাইকেল চালক জানান,রাস্তা এতাটাই বেহাল দশা যে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়া যাচ্ছেনা। জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছি। তিনি আরো জানান, রাস্তার এমন বেহাল দশার কারণে প্রায় রাস্তার পাশে পড়ে কাঁদা পানি মেখে বাড়িতে আসতে হয় আমাদের।
সিএনজি চালক আবু মুসা জানান,রাস্তার অবস্থা এই কয়েকদিনের বৃষ্টিতে খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। আগে যে রাস্তা যেতে ১০ মিনিটি লাগতো বর্তমানে সেখানে যেতে ৩০ মিনিট লাগছে তাও জীবনের চরম ঝুঁকি নিযে যেতে হচ্ছে।
বর্তমানে সড়কটি চারলেনে উন্নতির কাজের কিছু কিছু ধাপ শুরু হয়েছে। এ সড়কে যাতায়াতকারী যাত্রীদের দাবি চারলেনে উন্নতির আগে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হোক।















