ইমদাদ হোসেন, চুড়ামনকাটি প্রতিনিধি ॥ যশোর ঝিনাইদহ
মহাসড়কটি খুলনা বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম শহর।
বাংলাদেশের একমাত্র স্থলবন্দর যশোর বেনাপোল বন্দর। এ বন্দর হতে
প্রতিনিয়ত শত শত ট্রাকে বিভিন্ন ট্রান্সপোর্টের মালামাল
খালাস করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌছায়। বিশেষ
করে উত্তর বঙ্গে যাতায়াত সহ যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম
যশোর ঝিনাইদহ মহাসড়ক। দীর্ঘদিন ধরে এ মহাসড়কটি চার
লেনে উর্নিত হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত সে কাজের
অগ্রগতির কোন লক্ষণই দেখা যায় নি। এ সড়কটির দু’ধার
দিয়ে রয়েছে ছোট বড় অনেকগুলো বাজার। বাজারের ব্যবসায়িকরা
ব্যবসায় মনোনিবেশ করতে পারছে না। না জানি কখন
দোকানপাট ভেঙ্গে দেয়। পাশাপাশি রাস্তার অবস্থা বেজায় বেহাল
হওয়ার কারনে মানুষ জন তেমন বাজারে উঠছে না রাস্তায় ধুলা
বালিও কাঁদার ভয়ে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় সৃষ্টি হয় ছোট বড় গর্ত।
গর্তে জমে থাকে পানি। রাস্তায় থাকে কাঁদা যার জন্য চলাচলে
জন জীবনে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিভিন্ন স্থানে ঘটেছোট বড় দূর্ঘটনা। বৃষ্টি শেষে রাস্তায় কাঁদা শুকিয়ে সৃষ্টি
হয় ধুলা বালির। এই ধুলা বালির ফলে রাস্তার পার্শ্বে ব্যবসায়িরা
বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পথচারী, ব্যবসায়ী, নারী ও
শিশুরা স্বাস্থের ঝুকিতে আছে। দেখা গেছে ছোট যানবাহন
গুলো মহাসড়কটি ব্যবহার না করে গ্রামের মধ্যে দিয়ে ছোট
ছোট রাস্তাগুলো ব্যবহার করছে। যার ফলে, গ্রাম গঞ্জের শিশু ও স্কুল
শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
এ মহাসড়কের মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার হলো
চুড়ামনকাটি বাজার। চুড়ামনকাটি বাজারের নিকটবর্তী
রয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সেনানিবাস,
বিমান বন্দর সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। যার ফলে এ
বাজারে রাত দিন দেশের দুর দুরান্তের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার
আনাগোনা চোখে পড়ে। চুড়ামনকাটি বাজার হতে পালবাড়ী
মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা চলাচলের প্রায় অনুপোযোগী হয়ে
পড়েছে। বৃষ্টি শেষে রাস্তার সংস্কার লোকগুলো এসে সামান্ন
কিছু ইট বালি দ্বারা পুটিং করে দায় সারে। দু’দিন পর রাস্তার
অবস্থা পুনরায় অনুপোযোগী হয়ে দাড়ায়। বর্তমান
চুড়ামনকাটি বাজারে ইটের সলিং বিছিয়ে সংস্কার করা হচ্ছে
বলে দেখা গেছে। এই কাজের সময় দেখা যায় রাস্তার দু’পাশে
গাড়ির দীর্ঘ লাইন। একবার গাড়ির এই লাইন শুরু হলে সহজে তার
শেষ হয় না। যার জন্য বাজারের ক্রেতা ও গাড়ির যাত্রি সহ সকলকেই
দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন সময় অসুস্থ জনিত কোন
রোগীকে জরুরী ভাবে হাসপাতালে নিতে চাইলেও নেওয়ার তেমন
কোন সুযোাগ থাকে না। তাই যানা নেই এই দুর্ভোগের শেষ
কোথায়?















