স্টাফ রিপোর্টার, বাঘারপাড়া(যশোর) : সহকর্মীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ভাটাশ্রমিক আল আমিনকে (২৫) ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আল আমিনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ঐদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে উন্নত চিকিৎসার্থে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাঘারপাড়া থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আল-আমিন বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া এলাকায় সিটি ব্রিকস-১ ইটভাটার কর্মচারী এবং খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বাহিরডাঙ্গা গ্রামের সোহরাব সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে ভাটায় কাজ করা একজন নারী শ্রমিককে নিয়ে বাজে কথা বলা নিয়ে অভিযুক্ত একলাস, বিল্লাল ও বাদশার সাথে আল আমিনের বচসা হয়। বিষয়টি নিয়ে দুইপক্ষের দ্বন্দ্ব হলে ভাটার ম্যানেজার তা মীমাংসা করে দেন। কিন্তু তারা এটি না মেনে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে মিলের পাশে একটি চা দোকানের সামনে আল আমিনকে ছুরিকাঘাত করতে থাকে। ওইসময় ঠেকাতে গিয়ে আল আমিনের বাবা সোহরাব সরদারও (৬০) আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের রাতেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আল-আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন হাসপাতালের ডাক্তার। কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার সুইটি খাতুন বলেন, আল-আমিনের পেটে, বুকে ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠালে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আনা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাঘারপাড়া থানার ওসি আব্দুল আলিম বলেন, এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত হত্যা মামলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত একলাস মোল্যা (২৩), বিল্লাল হোসেন (২০) ও বাদশা মোড়লকে (৩০) আটক করা হয়েছে। আহত আল আমিনের বাবাকেও ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।















