রাজগঞ্জে কমেছে সবজির দাম, ফুলকপির কেজি ৪ টাকা

0
175

হেলাল উদ্দিন : যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে। গেল দুই সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি ফুলকপির দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা ছিলো। বর্তমান রাজগঞ্জ পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪ টাকায়। আর খুচরা বাজারে প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। শুধু ফুলকপি নয়, কমেছে সব ধরনের শীতকালীন সবজির দাম।
সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (০২ জানুয়ারি) রাজগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায়- বিক্রেতারা এক প্রকার ডেকে ডেকে ফুলকপি প্রতি পিস বিক্রি করছে ১০ টাকায়। পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতাদের মুখে ছিল স্বস্তির আভা। এদিন সকালে রাজগঞ্জ পাইকারী ও খুচরা বাজারে তাজা লোভনীয় সবজিতে ভরপুর দেখা গেছে।
বাজারের কাঁচা তরকারীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন- এখন সবজি বিক্রি করেও আনন্দ পাচ্ছি। ফুলকপির পাশাপাশি দাম কমেছে সব ধরণের সবজির। যেমন বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি, আলু ৪০ টাকা কেজি, টমেটো ৫০ টাকা, মরিচ ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি, পিয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তিনি বলেন- সবজির দাম কমে যাওয়ায় ক্রেতারা খুশি মনেই কিনছেন। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা যেভাবে ক্রয় করি সেইভাবেই বিক্রি করি।
ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী মোমেন মিয়া দৈনিক যশোরকে বলেন- সবজির বাজার অনেকটাই কমেছে। গেল দুই সপ্তাহ আগে ফুলকপি ছিল ৪০ টাকা কেজি। আজ সেই ফুলকপি ৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা ক্রেতা লাকী বলেন- আজ সব সবজির দামই কম। এরকম সব সময়ই থাকলে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষরা স্বস্তিতে থাকবে। কারণ আমাদের মতো পরিবারের মানুষরা সহজে খেয়ে পড়ে বাঁচার প্রত্যাশাটাই বেশি। সরকারের উচিত বাজারমূল্য শুধু একদিন, দুইদিন নয়। প্রকৃত কারণ ছাড়া যেন বাজারের অনাকাঙ্খিত দাম না বাড়ে।
এদিকে রাজগঞ্জের হয়াতপুর গ্রামের কৃষক নুর হোসেন বলেন- সবজির দাম কমে যাওয়ায় কৃষকদের লোকসান হচ্ছে। বর্তমানে সার, কীটনাশকের দাম বেশি। শ্রমিকের দাম বেশি। খরচ উঠানো যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন- আমাদের থেকে বেশি লাভবান হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তারা আমাদের কাছ থেকে কম দামে কিনে তিন ডবল দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। এজন্য ক্রেতারা ঠকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here