রাজগঞ্জের খুচরা বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি, বিপাকে শ্রমজীবী ও নিম্ন্নআয়ের মানুষ

0
162

হেলাল উদ্দিন : যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ খুচরা বাজারে চালের দাম বেড়েই চলেছে। গত
এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালে দাম বেড়েছে প্রায় ৫ টাকা। রাজগঞ্জ খুচরা বাজারে
বর্তমানে প্রতিকেজি ৫৫ টাকার নিচে কোনো চাল নেই। প্রকার ভেদে সকল প্রকার চালের দাম
এভাবেই বাড়ছে। চালের দাম বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। রাজগঞ্জ
বাজারের বিভিন্ন চাল বিক্রির খুচরা দোকান ঘুরে জানা গেছে- এক সপ্তাহ আগেও মিনিকেট
(চিকন) চাল বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬২ টাকা কেজি। বর্তমানে সেই চাল ৬৫ থেকে ৬৭
টাকা। আর মোটা চাল ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছিলো। বর্তমানে সেই চাল খুচরা বিক্রি
হচ্ছে ৫৫ টাকা। আর চিকন চালের মধ্যে ভালোমানের চিকন চাল যেমন নাজিরশাইল ও জিরাশাইল
প্রতি কেজি ৭৫ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে। আশরাফ হোসেন ও সিরাজুল ইসলাম নামের দুইজন
ক্রেতা বলেন- এখন আমনের মৌসুম চলছে। সংগত কারণে বাজারে চালের দাম কম হওয়ার কথা। কিন্তু
সেটা না হয়ে বেড়েই চলেছে। এতে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষেরা অত্যন্ত বিপাকে
রয়েছে। তারা আরো বলেন- মজুতদাররা সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়াচ্ছে। রফিক নামের একজন
শ্রমজীবি মানুষ বলেন- চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বেকায়দায় রয়েছি। মাঠে কাজও তেমন একটা
নেই। একদিন হয়, আর একদিন হয় না। এমন অবস্থায় দিন যাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে
রাজগঞ্জ বাজারের একজন চাল বিক্রেতা জানান- পাইকারী বাজার থেকে বেশি দামে চাল কিনতে
হচ্ছে। আমরা কি করবো। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে- বড় বড় অটো রাইস মিল মালিকরা
ইচ্ছেমতো মজুতের মাধ্যমে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করছেন। অটো রাইস মিলগুলো লাখ লাখ মণ ধানের
মজুত করে ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। চালের দাম
বৃদ্ধির কারণে রাজগঞ্জ এলাকার খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষগুলোর কষ্ট বেড়েছে। এর
থেকে রেহাই পেতে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষেরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি
কামনা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here