কমিটি গঠনে নীতিবহির্ভূত কর্মকান্ডের অভিযোগ বৈষম্য বিরোধী যশোরের সদস্য সচিব জেসিনার পদ স্থগিত

0
160

যশোর প্রতিনিধি : কমিটি ঘোষণার মাত্র দুই মাসের মাথায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোর জেলা কমিটির জেসিনা মোর্শেদ প্রাপ্তির সদস্য সচিব পদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা কমিটি গঠন সংক্রান্ত বিষয়ে সাংগঠনিক নীতিবহির্ভূত কর্মকান্ডের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা কমিটি গঠন সংক্রান্ত সাংগঠনিক নীতি বহির্ভূত কিছু কর্মকান্ড তাদের নজরে গিয়েছে। এজন্য জেসিনা মোর্শেদের পদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। একই সাথে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সদস্যদের সামনে তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির আশরেফা থাতুন,ওয়াহিদুজ্জামান ও আকরাম হোসেন রাজ।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোর জেলার আহবায়ক রাশেদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটি যে সিদ্ধান্ত জানাবেন সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যশোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ কাজ করবেন। আমরা ইতিমধ্যে পদ সাময়িক স্থগিতাদেশ সংক্রান্ত চিঠিপত্র হাতে পেয়েছি।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক নেতা বলেন, সর্বশেষ জেসিনার বিরুদ্ধে যশোরের ঝিকরগাছার কমিটি গঠন নিয়ে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে যশোর জেলার ৫৮ জন নেতার সাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি যশোরে তদন্ত আসেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা।
এ বিষয়ে জেসিনা মোর্শেদ প্রাপ্তি সাংবাদিকদের বলেন,বড় সংগঠন, জবাব দিহিতা থাকবে,এটায় স্বাভাবিক। কেন্দ্র আমাকে সশরীরে উপস্থিত হতে বলেছেন, আমি কেন্দ্রে এ বিষয়ে জবাব দিব। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ নভেম্বর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত এক পত্রে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। যার মেয়াদ দেওয়া হয় ছয়মাস। কিন্তু কমিটিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনসহ নানা অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে নয়জন নেতা পদত্যাগ করেন এ কমিটি থেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here