কেশবপুর পাষন্ড স্বামীর হাতে স্ত্রীর মৃত্যু

0
209

জি,এম ফারুখ (স্টাফ রিপোর্টার) : কেশবপুর উপজেলার হাবাসপোল গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে তবিবুর রহমানের সাথে মোবারকপুর গ্রামের আনিছুর রহমানের ছোট মেয়ে মুন্নী বেগমের পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয় গত চার বছর আগে। বিবাহ হওয়ার পর থেকেই পাষন্ড স্বামী যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে ও শারিরীক ভাবে নির্যাতন করে থাকে। মেয়ের বাবার আর্থিক অবস্থা তেমন ভাল না থাকায় প্রতিনিয়তই স্বামী টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। গত কাল বৃহস্পতিবার রাতে আবারো টাকার চাপ দিলে মুন্নী বেগম টাকা দিতে অস্বীকার করায় মেরে ফেলার হুমকি দেয়। শুক্রবার সকালে স্বামী তবিবুর রহমান মুন্নি বেগমকে প্রচুর পরিমাণ মারধর করে যা প্রত্যক্ষদর্শী এই প্রতিনিধি কে জানাই। মারধর করার পরে স্বামী তবিবুর রহমান বাড়ি থেকে চলে আসে। সুত্রমতে ,মুন্নির ভাই আবু সাইদ এই প্রতিনিধিকে জানাই, বিবাহর পরে আমরা জানতে পারি একাধিক মেয়ের সাথে তবিবুর রহমানের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের জের ধরে ও বিভিন্ন সময় টাকার দাবি করে। গত ০৮ই মার্চ একলক্ষ টাকার দাবি করাতে আমি নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা আমার ভগ্নিপতি তবিবুর রহমান কে প্রদান করি। আজ শুক্রবার সকাল ০৮টা ৩০ মিনিটে আমি আমার ভগ্নিপতি তবিবুর রহমানের কাছে ফোন দিয়ে আমার বোনের সাথে কথা বলতে চাইলে সে আমাকে বলে আমি তোমার বোনের মারধর করেছি তর পর সে অভিমান কবে গলায় ওড়না দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে মৃত্যু বরণ করে। আমি সংবাদ পেয়ে দ্রুত কেশবপুর হাবাসপোল গেলে জানতে পারি আমার বোন কেশবপুর হাসপাতালে আছে।হাসপাতালে যেয়ে দেখি আমার বোনের নিথর দেহ পড়ে আছে হাসপাতালের বারান্দায়।
কথা হয় মুন্নীর মায়ের সাথে তিনি বলেন, আমার মেয়েকে আমার জামাই তবিবুর রহমান মেরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।
মুন্নীর দুই বছরের ফুটফুটে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হয় কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেনর সাথে তিনি জানান, আমরা সংবাদ পেয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগ থেকে মৃত মুন্নীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে আইন গত ব্যবস্হা গ্রহণ করবো এবং একটি অপমৃত্যু মামলা
রুজু করি যার নং ১১/২৫

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here