বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি ঃ ঘড়ির কাটায় বারোটা না বাজলে অফিসে আসেন না বাঘারপাড়া
উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের হিসাব রক্ষক কবিতা রানী সাহা। এটা এক দুই দিন না এটা রোজকার চিত্র । যা
বর্তমানে নিয়মে পরিণত হয়েছে। এই রোজ দেরি করে আসাতে ভোগান্তিতে পড়ে উপজেলার মানুষেরা।
যারা সেবা নিতে এসে বসে থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা। গত সপ্তাহ ধরে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে
প্রতিদিনের চিত্র একই।
কবিতা রাণী সাহা ২০২০ সালের ১৭ আগষ্ট হিসাব সহকারি হিসাবে বাঘারপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী
দপ্তরে যোগদান করেন।এরপর প্রমোশন পেয়ে হিসাব রক্ষক হলেও একই ষ্টেশনে রয়ে গেছেন। যার জন্য সে
কাউকে পরোয়া না করে সরকারি নীতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অফিসে আসেন খেযাল খুশি মত। যা দেখার যেন
কেউ নেই।
অফিসে দেরি আসার কারন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কবিতা রাণী সাহা জানান, এক্সেন অফিসে কাজ
থাকে থাকলে দেরি হয়। প্রতিদিন এক্সেন অফিসে কাজ থাকে কিনা জানতে চাইলে বলেন, আমি আপনার
সাথে সরাসরি কথা বলবানে।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকৌশলী আবু সুফিয়ানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে
তিনি জানান, বিষয়টি আমি দেখছি। কথা না হতেই খানিক সময় চুপ থেকে কলটি কেটে দেন।
পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করা হলে বলেন এক্সেন অফিসে এস্টিমেট, রিপোর্ট, চিঠিপত্র থাকলে
সপ্তাহে দু একদিন কাজ থাকে। তাছড়া অপিসে দেরিতে আসার বিষয়ে তাকে কয়েকবার শতর্ক করা
হয়েছে।















