স্টাফ রিপোর্টার, যশোর থেকে : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী যশোর -৩ ( সদর)
আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের প্রচার
প্রচারনায় সরব নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা। প্রচার কাজে যেখানেই যাচ্ছেন
অমিত সেখানেই নামছে জনতার ঢল। গত ১৫ বছর যারা ভোট দিতে পারেননি
এবারের নির্বাচনে সেই তরুণদের আগ্রহ আরো বেশি। এই আসনের পৌর সভা ও
১৪টি ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতিকের রব উঠেছে।নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে
সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে আলাদা একটা সাড়া সুষ্টি কেেরছেন ধানের শীষ
প্রতিকের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত
করেছেন যশোরের বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। একাত্তরের রাজাকার আলবদর বাহিনী তাদের ওপর
ছড়ি ঘোরাবে এমন বাংলাদেশ তারা দেখতে চান না।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যশোর ইউনিট আয়োজিত
মতবিনিময় সভায় যশোরের বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময়
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য বলেন আমি আপনাদের সন্তান। আমার
কোন কর্মকাণ্ডে আপনাদের মাথা হেট হবে না। আমি যশোরের মুক্তি যোদ্ধাদের
ইজ্জত সম্মান রক্ষায় সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দেবো। আমার পরিবারে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গ্রথিত আছে। আমার পরিবার এবং রাজনৈতিক দলের সাথে
মুক্তি যোদ্ধাদের সম্পর্ক অত্যান্ত গভীর। আমার দলের প্রতিষ্ঠাতা মহান স্বাধীনতার
ঘোষক এবং যুদ্ধের ময়দানে একজন সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ধসঢ়;পূর্ণ
অবসানের স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত। আমার পিতা মাতা
ছাত্র জীবন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছেন। স্বৈরাচার আইয়ুব
বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং কারাবরন করেছেন। একমাত্র
বিএনপিই পারে মুক্তি যুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে।
আমাদের দলের সাবেক চেয়ারপার্সন আপসহীন দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি যোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। তিনি প্রথম
মুক্তি যোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা চালু করেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর কিছু
রাজনৈতিক দল যখন সংস্কারের নামে অতি বিপ্লবী কথা বলেছিল তখন একমাত্র
বিএনপি বিরোধিতা করেছিল। সেখানে বিএনপি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিল একাত্তরকে
অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। আমরা আগামী দিনে তারেক রহমানের
নেতৃত্বে মুক্তি যুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে চাই। তাদের প্রত্যাশিত সাম্য,
মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মান করতে চাই।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মুক্তি যোদ্ধাদের বলেন, আপনারা আমার অভিভাবক আপনাদের
সাথে নিয়ে যশোরকে নতুন ভাবে গড়তে চাই। এই যশোর হবে পরমত সহিষ্ণু,
সহবস্থান, ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সম্প্রীতির যশোর। আমার দ্বারা এই যশোরের
ভিন্ন কোন মত পথের মানুষ অসম্মানিত হবে না। সেই শিক্ষা আমার পরিবার
দিয়েছে।
মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবদুল
লতিফ। সভা পরিচালনা করেন জেলা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব আবদুল
মালেক। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এ
এইচ এম মুযহারুল ইসলাম মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরাম উদ দ্দৌলা, জেলা
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রমুখ।
এর আগে সকালে অমিত সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের একাধিক পথসভায়
বক্তৃতা করেন। এসব পথসভায় জনতার ঢল নামে। ####















