স্টাফ রিপোর্টার, যশোর থেকে : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহনের সব রকমের
প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যশোরে জেলা প্রশাসন। নির্বাচনে যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনের
জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট পেপারও জেলা ট্রেজারিতে পৌঁছে গেছে। আসন ওয়ারি সটিং এর পরে
কাল থেকে সেগুলো প্রতিটি উপজেলায় সহকারী রিটানিং অফিসারের দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
এসময় সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক সংখ্যা
মোতায়েন করা হবে। এছাড়া জেলার ৮৪৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অধিক ও মাঝারী ঝুকিপূর্ণ
কেন্দ্র গুলোতে স্পেশাল সিকিউরিটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর বাইরে সকল ভোট কেন্দ্রে স্বশস্ত্র
পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটগন স্ট্রাইকিং
ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। সার্বিক ভাবে জেলায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া অবাধ,
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জেলা
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আশেক হাসান। আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের
সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির নিয়মিত মাসিক সভায় এসব কথা জানানো
হয়।সভায় অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ইরুফা সুলতানার সভাপতিত্বে জেলা আইন শৃঙ্খলঅ
কমিটির সদস্য জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম , স্থানীয় সরকারের উপ
পরিচালক(ডিডিএলজি) রফিকুল ইসলাম (উপসচিব), সিভিল সার্জন মাসুদ আলম, যশোরের
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর চেম্বারের সভাপতি মিজানুর
রহমান খান, এনএসআইএর জয়েন্ট ডাইরেক্টর, সেনাবাহিনীর ২ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের
কোমান্ডারের পক্ষে মেজর মাসুদ, র্যাব-৬ যশোর সিপির কোম্পানী কমান্ডার, জেলা আনসার ও
ভিডিপি এ্যাডজুটেন্ট সেফফাউল হাসান, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান
টুকুন, বিএফইউজের সাবেক সহকারী মহাসচিব ও দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সিনিয়র
রিপোর্টার নূর ইসলাম, রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক,মাদ্রাসা
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কাজী মোশারফ হোসেন,জেইউজের সভাপতি
আকরামুজ্জামান, জেলা শিক্ষা অফিসার মাহফুজুর রহমানসহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী
অফিসার, সকল থানার অফিসার ইনচার্জ এবং বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত
ছিলেন। সভা থেকে জানানো হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে দেশের জন্য
একটি মাইল ফলক। এই নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালনে ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক
রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া নিবিঘ্ন করতে আইন
শৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মাঠে ও ভোট কেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে। ভোটারদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্র বা বাইরে কেউ কোন
প্রকারের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সভায় জানানো হয় জেলার
৬টি নির্বাচনী আসনের সকল ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন
করা হয়েছে। দেশের মধ্যে একমাত্র যশোর জেলায় শতভাগ ভোট কেন্দ্রকে সিসিটিভি ক্যামেরার
আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একাধিক বডি ক্যামেরা নিয়ে পুলিশ,
বিজিবি, আনসার ভিডিপি ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স
হিসেবে বিজিবি, র্যাব, সেনাবাহিনী ও ম্যাজিষ্ট্রেটগণ দায়িত্ব পালন করবেন। আমরা প্রমান
করতে চাই যশোরে সকল ভোট কেন্দ্রে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে
ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্প্ন হয়েছে। এর জন্য রাজনৈতিক দলের
নেতাকর্মী ও মিডিয়ার বন্ধুদের সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সভাপতি জেলা রিটানিং
অফিসার আশেক হাসান। সোস্যাল মিডিয়ায় গুজব সৃষ্টি ও গুজব ছড়ানোকে কঠোর ভাবে দমন
করার পাশাপাশি এসব গুজবে কান না দে;ওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান। এছাড়া
অবৈধ অগ্নেয়াস্ত্র ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।
নির্বাচন বানচালের যে কোন প্রচেষ্টা নস্যাৎ করতে জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খরা রক্ষাকারী
বাহিনীর সদস্যরা সদা প্রস্তুত আছেন বলেও সভায় জানানো হয়।
Home
যশোর স্পেশাল যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ব্যালট পৌঁছেছে : জেলার শতভাগ ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার...















