যশোর প্রতিনিধি : যশোর শহরের ফাতেমা হাসপাতালের সামনে আদালতের ১৪৪ ধারার নোটিশ
অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে পাইলিং করে ভবন নির্মাণ কাজ করার
অভিযোগ উঠেছে। পরে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ
ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এর আগে ভুক্তভোগী
আদালতে অভিযোগ করেন। তার প্রেক্ষিতে বিচারক একজন
আইনজীবিকে ঘটনাস্থল পরির্দশনে পাঠান। এবং উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ণ
অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগে শহরের পুরাতন
কসবা ফাতেমা হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা বদরুল কালামের ছেলে
মোস্তফা কামাল দিপু জানান, শহরের পুরাতন কসবা মৌজায় ফাতেমা
হাসপাতালের সামনে বিরোধপূর্ণ ১৩ দশমিক ৭৩ শতক জমি রয়েছে।
জমিটি তাদের ভোগদখলে থাকলেও মালিকানা নিয়ে তার ফুফু বেগম
শামসুন্নাহারের সাথে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিরোধপূর্ণ জমি
থেকে ১০ শতক ক্রয় করে রেজিস্ট্রি করে নেন একই এলাকার বাসিন্দা
জিকেএম কামরুজ্জামান। এখন তিনি পুরো জমিতেই ভবন নির্মাণের
কাজ শুরু করেছেন।
মোস্তফা কামাল দিপু অভিযোগ করেন, এর আগে গত বছর ১৭ নভেম্বর ওই
জমিতে ভবন নির্মাণের চেষ্টা করেন কামরুজ্জামান। ফলে তিনি আদালতের
দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে একটি
শুনানিতে অনিবার্যকারণবশত: তিনি অনুপস্থিত থাকায় আদালত ১৪৪
ধারা তুলে নেয়। আদালতের এই আদেশ রিভিউয়ের আবেদন করা হলে আদালত
তা মঞ্জুর করে ৯ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেছেন। কিন্তু এরই মধ্যে গত
১৮ জানুয়ারি ওই জমিতে ফের নির্মাণকাজ শুরু করেন কামরুজ্জামান।
নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে মোস্তফা কামাল দিপুসহ তার স্বজনদের
হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। পরে ১৯
জানুয়ারি তিনি যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় এই লিখিত
অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু এ অভিযোগকে তোয়াক্কা না করে আবার
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাইলিং করে ভবণ নিমাণের চেষ্টা চালায়।
অভিযোগের ব্যাপারে জিকেএম কামরুজ্জামান বলেন, আমার জমিতে
আমি কাজ করেছি। এখানে দিপু কে। দিপুর তো আর এ জমির মালিক
না।’যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. তাহমুদ জানান,
জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতে রায় না দেয়া
পর্যন্ত কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আদালতের আইনজীবি মাসুদ রানা বলেন, আদালতে নির্দেশে জায়গাটি
পরির্দশ করতে এসেছে। সকল বিষয় নোট করে নিয়েছি। আদালতে
সাবমিট করবো।’















