মোংলা প্রতিনিধ : পূর্ব সুন্দরবনের জোংড়া এলাকায় খাল থেকে হরিণের মাংসসহ নৌকা জব্দ করেছে বনরক্ষিরা। এসময় হরিন শিকারের সাথে জড়িত এক চোরা শিকারীকেও আটক করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ১০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুইটি নৌকা জব্দ করে জোংড়া ফরেস্ট ক্যাম্পের টহল অফিসের সদস্যরা। হরিণ শিকার ও মাংস পাচারের সাথে সম্পৃক্ততার দায়ে এক হরিন শিকারীকেও আটক করেছে কিন্ত বন বিভাগের জোংরা টহল ফাড়ির সদস্যরা হরিন শিকারীকে আড়াল করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। আটক হরিন শিকারী মোংলার উপজেলা চিলা ইউনিয়নের সুন্দরতলা এলাকার বাসিন্দা সামাদ মোসাল্লী । তবে বন বিভাগের জোংড়া ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হোসেন দাবী করে বলেন, সামাদ মোসাল্লী তাদের সোর্স, সে হরিন শিকারী বা এর সাথে জড়িত কেউ নয়।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আওতাধীন জোংড়া ফরেস্ট ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরিণের মাংস, নৌকা জব্দের বিষয়টি ওই রেঞ্জ কর্মকর্তা বা উর্ধতন কাউকেই না জানিয়ে আটক সামাদ মোসাল্লীকে ছেড়ে দেয়ার জন্য গোপনে দেন দরবার করছে বলেও নাম প্রকাশ না করার শর্কে জোংড়া অফিসের এক বন রক্ষী ও স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেছে। হরিনের মাংস ও নৌকা জব্দ বা আসামী আটকের বিষয়ে কিছুই জানেন না রেঞ্জ কর্মকর্তা এনামুল হক বা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা। স্থানীয় লোকজনের ফোনে বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে রেঞ্জ কর্মকর্তাকে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন। এ বিষয়ে জোংড়ার ফাড়ী অফিস ইনচার্জ আবুল হোসেন বলেন, সামাদ মোসাল্লী বন রীদের পাচারের সময় হরিণের মাংস উদ্ধারে সহায়তা করেছে, সে এর সাথে জড়িত নয় বলে জানায় তিনি। এদিকে, সরকারের নির্দেশনায় বনে প্রবেশ করে মাছ শিকার ২২ দিন নিষিদ্ধ করেছে কিন্ত এই সময়ে চিলা ইউনিয়নের বাসিন্দা সামাদ মোসাল্লী সুন্দরবনের জোংড়া খালে কি করেই পৌঁছালেন এবং সেখানে কি করতে ছিলেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে বন কর্মকর্তা আবুল হোসেন কোন সদউত্তর দিতে পারেননি। অপাদিকে, হরিন শিকার বা পাচার করে আনা এবং এর সাথে জড়িত কাউকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা ঘটলে এ ঘটনায় তদন্তে সত্যতা পেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন।














