স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সামনে দেখে ভক্তদের আবেগপ্রবন হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কেননা, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা, বড় বিজ্ঞাপন যে তিনিই। স্বাভাবিকভাবেই তাকে সামনে দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এক ভক্ত। সাকিবকে দেখে তাই দৌড়ে গিয়েছিলেন ছবি তুলতে। অনুমতি না নিয়ে মুখের সামনে সেলফির ভঙ্গিমায় ফোন তুলতেই রেগে গেলেন সাকিব।
শুধু রেগেই যাননি, উগ্র মেজাজে সেই ভক্তের ফোন কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তার এই আচরণে ব্যথিত, মর্মাহত, ুব্ধ শত শত ভক্ত। এই ঘটনায় বেনাপোলে সাকিবপ্রেমীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। আজ বৃহস্পতিবার বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
আইসিসির নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা সাকিব আল হাসান আজ বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বেনাপোল বন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতের কলকাতায় যান একটি মন্ডপে কালীপূজা উদ্বোধন করতে। ভারতে যাওয়ার পথে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের মধ্যে এক ভক্ত তার সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে তিনি মেজাজ খারাব করে তার মুঠো ফোন কেড়ে নিয়ে ফেলে দেন তিনি।
সেক্টর মোহাম্মদ নামের সেই ভক্ত বেনাপোল চেকপোস্টের একটি পরিবহনে চাকরি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি সাকিব আল হাসানের একজন অন্ধ ভক্ত। তাকে সামনাসামনি দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি। এজন্য তার সঙ্গে একটা ছবি তুলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে ছবি তুলতে না দিয়ে উগ্র মেজাজে আমার হাত থেকে ফোনটি কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। এতে ফোনটি ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। সেলফি তোলা কি আমার অপরাধ? এ ঘটনায় আমি খুব দু:খ পেয়েছি। আমার সাথে এমন আচরণ তিনি কেন করলেন, আমি জানি না।
বেনাপোলের একজন সংবাদকর্মী রাসেল হোসেন জানান, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। শুধু ভক্তের মোবাইল ফোন ছুড়ে ফেলা নয়, সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে তিনি কোন কথাও বলেননি। একজন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের আচরণ এমন হতে পারে তা নিজে চোখে না দেখলে বিশ^াস করতাম না।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাবেক অধিনায়ক বিশ^ সেরা ক্রিকেটার ও অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান একটি বিশেষ কাজে ভারতে গেছেন। তার কাজ শেষে আগামীকাল ১৩ নভেম্বর আবার বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরবেন বলে জানান তিনি। ঘটনা সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।















