নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ ঝিনাইদহের মহেশপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী দপ্তরে ২জন কর্মচারী এক যুগ ধরে চাকুরিরত। দূর্ণীতি অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত সূত্রে প্রকাশ, মহেশপুর এলজিইডি অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলেয়া পারভীন এবং ওয়ার্ক এ্যাসিসটেন্ট আব্দুল হামিদ প্রায় এক যুগ ধরে কর্মরত। একই স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে কর্মরত থাকায় তারা ঘুষ-দূর্ণীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। তাদের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে। সূত্র মতে জানা গেছে, ঘূর্ণি ঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ এই উপজেলায় ১শ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতের জন্য প্রায় ২কোটি টাকা বরাদ্দ আসে। এ সময় উপজেলা প্রকৌশলী না থাকায় আলেয়া পারভীন চার্জে ছিলেন, তখন তিনি শিক্ষকদের কাছ থেকে ১০% কমিশন নিয়ে বিল পাশ করেন।
অপরদিকে ওয়ার্ক এ্যাসিসটেন্ট আব্দুল হামিদ এক যুগের ও বেশী মহেশপুরে কর্মরত আছে। বর্তমানে (আরইআরএম প্রকল্প-৩) দেখাশুনা করে। এই প্রকল্পে ১২০জন মহিলা কর্মী রয়েছে। যারা এলজিইডি রাস্তা মেরামতের কাজ করে এ সকল মহিলাদের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়। তাদের নিয়োগ বাণিজ্য, ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় দূর্ণীতি,বেতন দেওয়ার সময় বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে টাকা কর্তন, ৩১শে মাস হলেও ৩০দিনের বেতন দেওয়া হয়। মহিলা কর্মীদের সাক্ষাতে এ সকল তথ্য জানা গেছে। আব্দুল হামিদ ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী হলেও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরে সে কোটি টাকা ব্যয় করে ৩য় তলা বিশিষ্ট আলীসান বাড়ি তৈরী করেছে। কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ সময় একই স্থানে রাখায় তারা শিখর গেড়ে বসেছে। এ বিষয়ে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে অভিযোগের বিষয়টি তারা অস্বীকার করে।














