মিশকাতুজ্জামান, নড়াইল : নড়াইলে হাট ও বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি ফল তরমুজ। সড়কের পাশে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে তরমুজ। এছাড়াও দোকাগুলোতে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন আকারের এসব তরমুজ। মৌসুমি নতুন এই ফলের স্বাদ গ্রহণে দাম বেশি হলেও বিত্তবানরা কিনছেন স্বচ্ছন্দে। তবে দাম বেশি হওয়ায় ইচ্ছে থাকলেও কিনতে পারছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ। নড়াইলে বিভিন্ন স্থানে এই মৌসুমি ফল তরমুজের দোকান সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। আবার ফলের দোকানগুলোতে বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি মৌসুমি ফল তরমুজ বিক্রি করেছেন তারা। প্রথমদিকে প্রতি কেজি তরমুজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০থেকে ৩৫টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তরমুজ কিনতে এসে হাসমোত মোল্লা বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে মৌসুমি নতুন ফল হিসেবে তরমুজ উঠেছে। তাই ছেলে মেয়েদের ও পরিবারের সদস্যদের মৌসুমি এই নতুন ফলের স্বাদ গ্রহণে তরমুজ কিনছি। দাম যাই হোক মৌসুমি নতুন ফলের স্বাদ নেওয়াটাই বড় বিষয়। বাজারের সবজি বিক্রেতা নাজিম মিনা বলেন, বাজারে নতুন ফল উঠলে সবার মন চায় তা খেতে, কিন্তু ইচ্ছে থাকলে আর কি হবে! আমাদের আয় বুঝে ব্যয় করতে হয়। সারা দিন সবজি বিক্রি করে ২/৩শ টাকায় আয় হয় তা দিয়ে কোনোরকম সংসার চালাতে হয়। কিন্তু এখন একটি তরমুজ কিনতে ন্যূনতম দেড় শত থেকে দুইশত টাকা লাগবে। তাই হিসেব করে চলতে হয়, সেই কারণেই এত দাম দিয়ে ফল কিনে খাওয়া আমাদের পে সম্ভব নয়। ফল বিক্রেতা সুলতান জানান, বর্তমানে রুপদিয়া মোকাম থেকে তরমুজ কিনে বাজারে বিক্রি করছি। মোকামে তরমুজের ব্যাপক আমদানি থাকলেও চাহিদা বেশি থাকায় দাম ও বেশি। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই বাজারে আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। নড়াইল উপজেলা উপ সহকারী কৃষি আফিসার মো: মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তরমুজ উঠতে শুরু করলে বাজারে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে। বর্তমানে আবহাওয়া মোটামোটি গরমের কারণে তরমুজ বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বেশি সাধারণ ক্রেতাদের একটু সমস্যা বলেও জানান তিনি।















