যশোর পৌরসভার নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের হালহাকিকত

0
487

পাঁচ ওয়ার্ডে ৩৬ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ
ডি এইচ দিলসান : আগামী ২৮শে ফেব্রæয়ারি যশোর পৌরসভার ভোট। এবারের ভোটে মেয়র প্রার্থীনিয়ে তেমন তাপ-
উত্তাপ না থাকলেও আলোচনায় মুখে মুখে ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিয়ে। বিগত নির্বাচনের চেয়ে এবারের
নির্বাচনে নতুন মুখের ছড়াছড়ি। একাধিক হাই ভোল্টেজ প্রার্থীসহ বর্তমান কাউন্সিলরা গরম করে রেখেছে ভেটের মাঠ।
নতুন ও পুরাতন মুখের প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা পর্যালোচনা। প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখে
এলাকাবাসীর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সকলেই। আজ দৈনিক যশোরের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো ৯, ৮, ৭, ৬ ও ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের হালহাকিকত। যশোর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য
পাঁচজন প্রার্থী মাঠে আছেন। এদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলরসহ আগের নির্বাচনের তিন প্রার্থী আছেন। বাকি দুজন নির্বাচনী তৎপরতায় নতুন। ৯নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বর্তমান কাউন্সিলর আজিজুল
ইসলাম, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসাদুজ্জামান বাবলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের
সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা যুবদলের সহসভাপতি শেখ ফেরদৌস ওয়াহিদ লিটন ও বঙ্গবন্ধু
সৈনিকলীগের ওয়ার্ড শাখার সভাপতি শেখ নাসিম উদ্দিন পলাশ। যশোর পৌরসভার ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের যারা মাঠে নেমছেন তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সন্তোষ দত্ত, সাবেক কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মাসুম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা পুদীপ

কুমার নাথ বাবলু, জেলা তাঁতীলীগের সহসভাপতি গৌরাঙ্গ পাল বাবু এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক শহর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ওবায়দুল ইসলাম রাকিব। এদিকে আসন্ন নির্বাচনে যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড
কাউন্সিলর পদে জোরে-সোরে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৮ প্রার্থী। নির্বাচনে অংশ নিতে
ইচ্ছুক এসব প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই নতুন মুখ। প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফা, সাবেক প্যানেল
চেয়ারম্যান আবু শাহ জালাল, সাবেক কাউন্সিলর অ্যাড. জুলফিকার আলী জুলু, জাহিদুল ইসলাম সজীব, শামসুদ্দিন
বাবু, শাহেদুর রহমান, শাহেদ হোসেন ও কামাল হোসেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক ৯ জন
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এদেরমধ্যে একজন নারীসহ ৭ জনই নতুন মুখ। প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান কাউন্সিলর আলমগীর কবীর সুমন, জেলা যুবলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আজাহার হোসেন স্বপন, আশরাফুজ্জামান, আনিছুজ্জামান, পাপিয়া আক্তার, আশরাফুল হাসান, আজিজুল ইসলাম, আজিজুল হক ও বিল্লাল পাটোয়ারী।
পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ডে যারা কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছেন তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান চাকলাদার
মনি, হাফিজুর রহমান, রাজিবুল আলম, শাহাজাদা নেওয়াজ, শরীফ আব্দুল্লাহ আল মাস্ধসঢ়;উদ হিমেল, মোকছেদুর রহমান ভুেট্টা, সেলিম হোসেন, তৌহিদুর রহমান তৌহিদ ও তৌফিক আহমেদ বর্ষণ। ভোটে প্রার্থী হবার ব্যাপারে হাবিবুর রহমান চাকলাদার মনি বলেন, আজীবন আওয়ামী লীগ করে শেষ বয়সে এসে নিজেকে শতভাগ জনগণের সেবায় নিয়োজিত করতে চান।

বর্তমান কাউন্সিলর আলমগীর কবীর সুমন (হাজী সুমন) জানান, আমরা পারিবারিকভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতি করি। নির্বাচনে বিজয়ী হলে কাউন্সিলর হিসেবে অতীত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমার প্রতি এলাকাবাসীর বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করব। তিনি বলেন, সামাজিক নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডে জড়িয়ে আছি। এলাকাবাসির পাশে ছিলাম, আছি ও থাকব। এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ
সম্পাদক আনিছুজ্জামান জানান, দলের সিদ্ধান্তে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। নির্বাচিত হলে তিনি
আল্লাহপাকের হুকুমত করে এলাকাবাসীর সেবা করতে চান। শরীফ আব্দুল্লাহ আল মাস্ধসঢ়;উদ হিমেল বলেন, তিনি একটি পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ ওয়ার্ড উপহার দিতে চান। তৌহিদুর রহমান তৌহিদ জানান, তার প্রথম কাজ হবে এলাকায়
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে থাকা। বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত যুবদলের সাবেক নেতা মনিরুজ্জামান মাসুম বলেন, এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম, আছি ও থাকব। ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। এরপর ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
তিনি। সাবেক কাউন্সিলর জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রচার সম্পাদক অ্যাড. জুলফিকার আলী জুল জানান, এবার নিয়ে চার বার নির্বাচন করছি। সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখে এলাকাবাসীর সুখে দুঃখে সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম, আছি ও থাকব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here