মাসুদ রানা,মোংলা : সুন্দরবন থেকে হরিণের ৪টি পা’সহ দুই চোরা শিকারী আটক করে বন বিভাগ। মোংলায় সুন্দরবন থেকে শিকার করা হরিণের চারটি পা, আধা বস্তা ফাঁদ, দুইটি ছুরি ও একটি নৌকাসহ দুই চোরা শিকারীকে আটক করেছে বন বিভাগ। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বন ও বন্যপ্রাণী নিধন আইনে মামলা দায়েরের পর আজ সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক ( এসিএফ) মোঃএনামুল হক , বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার বৈদ্যমারী ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন চিলা এলাকায় অভিযান চালায় বনরীরা। এসময় চোরা শিকারীরা বনররীদের উপস্থিতি টের পেয়ে জবাইকৃত হরিণের মাংস নদীতে ফেলে দিয়ে পালানোর চেষ্টার করে। পরে তাদের ধাওয়া করে দুই চোরা শিকারীকে আটক করা হয়। এসময়ে আটক ওই দুই হরিণ শিকারীর কাছ থেকে জবাইকৃত হরিণের চারটি পা, আধা বস্তা হরিণ শিকারের ফাঁদ, দুইটি ছুরি, রক্ত মাখা পলিথিন ও একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত দুই চোরা শিকারী মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মোল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪০) ও আফজাল শিকারীর ছেলে ফজলু শিকারী (৫০)। আটককৃতদের রাতে সুন্দরবনের চাঁদপাই ফরেষ্ট ষ্টেশনে নেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বন ও বন্যপ্রাণী নিধন আইনে মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন এসিএফ (সহকারী বন সংরক) এনামুল হক। উল্লেখ্য, এর আগ গত ২০ জানুয়ারী বাগেরহাটের শরণখালা থেকে একটি বাঘের চামড়াসহ এক পাচারকারীকে আটক করে র্যাব-৮। এরপর গত ২২ জানুয়ারী আবারো বাগেরহাটের শরণখোলা থেকে ১৯টি হরিণের চামড়াসহ দুই পাচারকারীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। তারপর গত ২৫ জানুয়ারী খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী খেয়াঘাট এলাকা থেকে ১১ কেজি হরিণের মাংসসহ দুইজনকে আটক করে পুলিশ। ৩১ জানুয়ারী বাগেরহাটের মোংলার দিগরাজ এলাকা থেকে ৪৭ কেজি হরিণের মাংসসহ তিনজনকে আটক করে কোস্টগার্ড এবং ২ ফেব্রুয়ারী বাগেরহাটের রামপাল থেকে ৪৫ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারীকে আটক করে ডিবি পুলিশ।















