আশাশুনির প্রতাপনগরে মাদ্রাসার কমিটি নিয়ে স্বার্থান্বেষী মহলের ভিত্তিহীন অভিযোগ

0
354

এমএম সাহেব আলী, আশাশুনি প্রতিনিধি ঃ আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসার বৈধ ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে কতিপয় কিছু শিক ষড়যন্ত্রকরে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সকল ব্যক্তিরা অত্র প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। কোনো কারন ছাড়াই বিধি বহির্ভুত কর্মকান্ড চালানো হচ্ছে বলে ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সরজমিনে জানা যায় অত্র প্রতিষ্ঠানে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অধ্য পদটি শূন্য হয়। ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী উপধ্য থেকে শুরু করে ষষ্ঠ নং শিক পর্যন্ত উপধ্যরে দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারবেন। কিন্তু ওই মাদ্রাসার উপধ্য মাওঃ অহিদুজ্জামান নারী কেলেংকারী সহ বিগত ২০১৩-১৪ সালে সরকার পতনের আন্দলন সাইদী মুক্তি মঞ্চের আহ্বায়ক ও ডজন খানিক নাশকতা মামলার কারাভোগকারী আসামী থাকায় উপঅধ্যরে পদটি তিনি গ্রহণ করতে পারেননি। এরপর ঐ মাদ্রাসার শিক মাওঃ শফিকুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যরে দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও অত্র প্রতিষ্ঠানের রশিদ বই রেজিষ্ট্রার খাতা এবং অর্থ আত্মসাৎ সারাদিনের দায়ে অভিযুক্ত ও নাশকতা মামলার কারাভোগকারী আসামি হওয়ায় তিনিও দায়িত্ব নিতে পারেননি। বাকী তিনজন শিক স্বেচ্ছায় প্রতিষ্ঠানের প্যাডের উপর স্বার করে দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারবেন না বলে অপরকতা প্রকাশ করেন। প্রতিষ্ঠান রার স্বার্থে এলাকাবাসী ও ম্যানেজিং কমিটি অভিভাবক সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ বিধি মোতাবেক ষষ্ঠ নং শিক মাওঃ শহিদুল্লাহ গাজীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যরে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি অধ্যারে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে সুনামের সাথে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু উপঅধ্য মাওঃ অহিদুজ্জামানের যোগসাজশে একটি স্বার্থান্বেষী মহল কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে মর্মে অপপ্রচার শুরু করেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী গত ১১ জানুয়ারী ২০২১, ৭৪৭ নং স্মারকে বলা হয়েছে কোভিড-(১৯) মহামারীর কারনে উদ্ভূত পরিস্থিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম সেন্ডিকেট সভার বিবিধ সিদ্ধান্ত ১ ও ২ অনুযায়ী গত ২১-৯-২০২০ তারিখে জারীকৃত অফিস আদেশের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেনিভুক্ত সকল ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভার্নিং বোডির মেয়াদ ২৫ মার্চ ২০২১ তারিখ পর্যন্ত থাকবে। এরপর এডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেেেত্র একটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে অহেতুক মিথ্যা তথ্য দিয়ে ষড়যন্ত্র করায় এলাকাবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। এব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি যেদিন থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছি। সেই থেকে অনিয়ম দুর্নীতি নিয়োগ বাণিজ্যসহ সকল প্রকার অনৈতিক ও অবৈধ কাজ বন্ধ করে সুষ্ঠ সুন্দরভাবে মাদ্রাসাটি পরিচালিত করে যাচ্ছি। কিন্তু মাদ্রাসার কতিপয় শিক মাদ্রাসার ভিতরে জামাতের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারবিরোধী নানারকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় যখন আমি ও শিক, কর্মচারীরা এই সকল কাজের প্রতিবাদ করি তখন তারা মাদ্রাসা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন মাদ্রাসার সকল কার্যক্রম সরকারী বিধি মোতাবেক সম্পন্ন হচ্ছে।এখানে অনিয়ম ও দুর্নীতির কোনো সুযোগ নাই। কেউ যদি এই ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন তাহলে সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here